শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

মাদরাসা থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার: ৫ শিক্ষক রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জুনায়েদ হাবীব:  চট্টগ্রামের বায়েজীদ বোস্তামী থানার ওয়াজেদিয়া এলাকার জামেয়া ওমর ফারুক আল ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান নিহতের মামলায় সেই মাদরাসার পাঁচ শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সেই মাদরাসার পাঁচ শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মাদরাসার অধ্যক্ষ মুফতি আবু দারদা, মুহাম্মদ তারেক, মুহাম্মদ জোবায়ের, মুহাম্মদ আনাস। বাকি একজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে তার বাবা আনিসুর রহমান শুক্রবার দুপুরে হত্যা মামলা করেছেন। তাই এ ঘটনা সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তারা সবাই মাদরাসার শিক্ষক ও মামলার আসামি।

গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তারা অভিযোগ এড়িয়ে যাচ্ছে। তবে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫-৭ দিন রিমান্ডের আবেদন করা হবে বলে জানান ওসি। শুনানি শেষে আদালত ৩ দিন মঞ্জুর করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (১০ এপ্রিল) হাবিবুর রহমান নামের (১১) এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত হাবিবুর বায়েজীদ বোস্তামী থানার ওয়াজেদিয়া এলাকার জামেয়া ওমর ফারুক আল ইসলামিয়া মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

নিহতের বাবা আনিসুর রহমান গনমাধ্যমকে জানান, চার দিন আগে হাবিবুরকে মাদরাসার শিক্ষক তারেক আহমেদ মারধর করেন। এ কারণে হাবিবুর মাদরাসা থেকে বাসায় চলে আসে। পরদিন বুঝিয়ে-শুনিয়ে ফের তাকে মাদরাসায় পাঠানো হয়।

বুধবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর হাফেজ তারেক ফোন করে জানায়, হাবিবুরকে পাওয়া যাচ্ছে না ।আত্মীয়স্বজন মিলে বিভিন্ন জায়গায় হাবিবুরের খোঁজ করা হয়। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি।

রাত ১০টার দিকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আবু দারদা ফোন করে জানান, হাবিবুর মাদরাসার একটি কক্ষের জানালার গ্রিলের সঙ্গে গামছা লাগিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই মাদরাসায় তালা লাগিয়ে দেয়। তারা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ