মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

মুরগির ডিম থেকে তৈরি হবে ক্যান্সারের ওষুধ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ক্যানসার একটি জটিল মারাত্মক রোগ। এটি শরীরের যেকোনো অঙ্গে হতে পারে। এটি টিউমার অথবা অদৃশ্য রক্তের শ্বেতকণিকা হতে পারে। ক্যানসার একটি মাত্র কোষ থেকে সৃষ্টি হয়। পরে তা ছড়িয়ে পরে।

মরণব্যাধি ক্যান্সারের প্রতিরোধক ওষুধ তৈরি হবে মুরগির ডিম থেকে। এমনটাই বলেছেন একদল গবেষক। তারা বলছেন, বিশেষ পদ্ধতিতে মুরগির শরীরে জিতগন পরিবর্তন আনা হবে। তারপর সেই মুরগির দেয়া ডিমের উপাদান নিয়ে ওষুধ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

ক্যান্সারের ওষুধ কারখানায় তৈরি করতে যে ব্যয় হবে, তা একশ’ গুণ কম খরচে মুরগির মাধ্যমে উৎপাদন করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, এ পদ্ধতিতে ক্যান্সারের ওষুধ বাণিজ্যিকভাবেও বেশি পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব বলেও গবেষক দলের দাবি।

এ বিষয়ে ব্রিটেনে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসলিন টেকনোলজিসের গবেষক ড. লিসা হেরন বলেন, বৈজ্ঞানিক উপায়ে মুরগির শরীরে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রবেশ করানো হবে। তারপর স্বাভাবিক ভবেই মুরগি ডিম দিবে। সেই ডিম থেকেই ওষুধের উপাদান সংগ্রহ করা হবে। এতে মুরগির স্বাস্থ্যের কোনো ক্ষতি হবে না।

কারখানায় তৈরির চেয়ে এ পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন উৎপাদনের খরচ ১০ থেকে ১০০ গুণ কমানো সম্ভব। কেননা, মুরগির মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে প্রোটিন উৎপাদন তৈরি হওয়ায় ব্যয় কমবে।

এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেলেন স্যাঙ বলেন, এ গবেষণার মাধ্যমে মানুষের শরীরে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসায় অগ্রগতি আসবে। বিশেষ করে এ পদ্ধতিতে মুরগির ডিম থেকে পাওয়া প্রচুর প্রোটিন ব্যবহার করা সম্ভব। এর আগে বিজ্ঞানীরা এ ধরনের পরীক্ষায় ছাগল ও খরগোশকেও ব্যবহার করেছেন।

তাতে সফলতার মুখ দেখার পর মুরগির ডিমে পরীক্ষা চালানো হয়। এটি আগের যে কোনো পরীক্ষার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী, উন্নত ও সাশ্রয়ী।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ