বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল গাইনী ডাক্তার শূন্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নেত্রকোণা সংবাদদাতা>

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার নেই বললেই চলে। ফলে প্রসূতি নারীদের জীবন সংকটাপন্ন। সন্তান সম্ভবা নারীগণ উপজেলা সদরে উত্তম সেবা না পাওয়ায় জেলার একমাত্র আধুনিক সদর হাসপাতালের দ্বারস্থ হন। কিন্ত দীর্ঘদিন ধরে সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তারের সংকট রয়েছে।

গরীব, অস্বচ্ছল, মধ্যবিত্ত শ্রেণির গর্ভবতী নারীরা সাধারণত হাসপাতালের শরনাপন্ন হয়ে থাকেন। বিগত কিছুদিন যাবত সদর হাসপাতালে গাইনী ডাক্তার না থাকায় প্রসূতিদেরকে উচ্চমূল্যের সেবা নিতে হচ্ছে প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিকে। ক্লিনিকগুলো অহেতুক পরীক্ষা নিরীক্ষার নামে হাতিয়ে বিভিন্ন অংকের অর্থ।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের গাইনী ডাক্তার রঞ্জন কুমার ও ডাক্তার জীবন কৃষ্ণ বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গিয়েছেন। হাসপাতালের নারী চিকিৎসক ডাঃ আফরিন সুলতানা পদোন্নতি পেয়ে অন্যত্র বদলী হয়েছেন। গাইনী ডাক্তার নূপুর আছেন ছুটিতে। একমাত্র ডাক্তার কল্যাণী উপস্থিত হচ্ছেন হাসপাতালে। তাও আবার বাইরে ক্লিনিকে গিয়ে সময় দিতে হয়।

হাসপাতালের প্রায় সকল ডাক্তারই বাইরের ক্লিনিকসমূহে রোগী দেখেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক অবস্থা খুবই দূর্বল বিধায় এ সুযোগে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগণ কোনো রকমে স্বাক্ষর করেই চলে যান বাইরের ক্লিনিক সমূহে। রোগী ভর্তি হলেও চিকিৎসা নিতে পারছেন না।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের গর্ভবতী লিমা আক্তার সদর হাসপাতালে ভর্তি হন ডেলিভারী রোগী হিসেবে। হাসপাতালের ভিতরে কোনো রকম চেকআপের ব্যবস্থা নেই বিধায় বাইরে ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বাধ্য হন।

সদর হাসপাতালে ডাক্তারদের অনুপস্থিতির কারণে আশ্রয় নেন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র মোক্তারপাড়ায়। সেখানেও ডাক্তারদের তালবাহানা। ২৪ ফেব্রুয়ারি করা আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট বাদ দিয়ে তারা ২৫ ফেব্রুয়ারি পুনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে পাঠান তাদের অনুগত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ