বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

ডাকাত ভেবে পুলিশকে সারারাত আটকে রাখলো গ্রামবাসী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ডাকাত ভেবে সারারাত পুলিশ আটকে রাখলো গ্রামবাসী। রোববার মধ্যরাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বহুরিয়া ইউনিয়নের গেরামারা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ওইদিন রাত দু’টার পর গেরামারা গ্রামের আলমাস মিয়ার বাড়িতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খোলার জন্য উচ্চবাচ্য করতে থাকে ৬-৭ জন লোক। পরে আলমাসের স্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করতে থাকলে গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের পরিচয় জানতে চায়। সেখানকার একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার এসআই পরিচয় দিলেও বাকিরা নিজেদের পুলিশের কেউ নয় ও একজন নিজেকে মির্জাপুর থানার বাবুর্চি পরিচয় দেয়।

পুলিশ পরিচয় দেয়া সিভিল ড্রেসে থাকা ব্যক্তিকে গ্রামবাসী তার আইডি কার্ড, ওয়ারেন্ট দেখাতে বলে। কিন্তু তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী তাদের আটক করে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন হাইওয়েতে টহলরত কয়েকজন পুলিশ।

কিন্তু গ্রামবাসীর তোপের মুখে তারা সরে আসতে বাধ্য হন। অবশেষে আজ ভোরে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হক নিজে গিয়ে তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।

আলমাস জানান, তিনি সিঙ্গাপুরে কর্মরত। কয়েকমাস হলো দেশে এসেছেন। থানায় তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ বা মামলা নেই। কিছুদিন আগে তার শ্বশুর বাড়িতে ডাকাতি হয়। সেই ঘটনা আর এই ঘটনার প্রেক্ষাপট একই রকম।

মির্জাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি এই কর্মকর্তা।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ