বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত!

হিজাব না খোলায় পরীক্ষা দিতে পারলেন না নারী পরীক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (নেট) পরীক্ষা দিতে আসা এক মুসলিম পরীক্ষার্থীকে আটকে দেওয়া হলো হলের মুখেই। বলা হল তার মাথার হিজাব খুলতে। রাজি না হওয়ায় সরাসরি নির্দেশ, হিজাব না খুললে পরীক্ষায় তিনি বসতে পারবেন না।

কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের লেকচারশিপের জন্য যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষার নাম ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট। বৃহস্পতিবার ভারতের গোয়ার পানজিমে এই পরীক্ষা দিতে আসেন সাফিনা খান সৌদাগার। অভিযোগ, হিজাব পড়েছেন বলে পরীক্ষা হলে তাকে ঢুকতেই দেননি পরীক্ষকরা। অনেকক্ষণ তর্ক চলার পর বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হয় সাফিনাকে।

দ্য হিন্দু, দ্য নিউজ, দ্য স্ক্রল ডটইন-সহ বেশ কিছু ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশটির ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ড কমিশন (ইউজিসি)। কারণ, নেট পরীক্ষা ইউজিসি-র আওতাভুক্ত।

প্রশ্ন উঠেছে, নেট পরীক্ষায় কোনোরকম ড্রেস-কোডের উল্লেখ নেই। তাহলে কেন ওই ছাত্রীকে হিজাব খুলতে বলা হলো?

সাফিনা জানান, নেট পরীক্ষার ফর্মেও ড্রেস-কোডের উল্লেখ থাকে না। কোথাও লেখা ছিল না, হিজাব পড়া ছাত্রী পরীক্ষা দিতে পারবেন না। পরীক্ষকদেরও তিনি এই কথাগুলো বলেছিলেন। কিন্তু তারা তা শুনেনি।

এ ব্যাপারে নেট কর্তৃপক্ষ বলছে, নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে হিজাব বা মাথায় কোনও স্কার্ফ পড়ে পরীক্ষা দিতে বসা নিষেধ। শুধুই হিজাব নয়, কোনো গয়না পরেও পরীক্ষা হলে ঢোকা যাবে না বলে জানিয়েছেন তারা। অনেক বিবাহিত নারী পরীক্ষার্থীর গলা থেকে মঙ্গলসূত্রও খোলা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

তারা আরও জানান, পরীক্ষার হলের নিরাপত্তা ও পরীক্ষায় অসদুপায় ঠেকাতে ইউজিসি এ নিয়ম জারি করেছে, যা শুধুই জানেন ও মেনে চলেন পরীক্ষকরা।

এদিকে, ইউজিসি-র পক্ষ থেকে ড্রেস-কোড সংক্রান্ত লিখিত কোনও নিয়ম নেই বলে জানানো হয়েছে। তবে তারা জানান, নেট পরীক্ষাকে স্বচ্ছ রাখতে অলিখিত কিছু নিয়ম মেনে চলা হয়। সেখানে মোবাইল ফোন, গয়না, স্কার্ফ, ওড়নাসহ বেশ কয়েকটি জিনিস পরীক্ষা হলে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউজিসি।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ