শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির নিয়ে চরম উত্তেজনায় ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের অযোধ্যায় ভেঙ্গে ফেলা বাবরি মসজিদের যায়গায় রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে রোববার বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে বাবরি মসজিদের জায়গায়।

হাজার হাজার নিরাপত্তারক্ষীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এ জনসমাবেশ, বিক্ষোভ করেছে।

সমাবেশে যোগ দিতে আসা হাজার হাজার লোকের প্ররোচনামূলক ভাষণে পুরো অযোধ্যাই যেন উত্তেজনায় টান টান ছিলো।

তারা বিভিন্ন অস্ত্র লাঠি ইত্যাদি হাতে নিয়ে মিছিল করেছে। রামমন্দির নির্মাণের জন্য আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে সরকারি অর্ডিন্যান্স বা নির্বাহী আদেশ জারি করার দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ইতোমধ্যে সেখানে মন্দির নির্মাণের সরঞ্জাম আনতে শুরু করেছে। যেনো রায় হয়ে  গেছে রাম মন্দির নির্মাণ করার।

অন্যদিকে অযোধ্যাতে রোববার আরেকটি সমাবেশ করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপির শরিক ও মহারাষ্ট্রের হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনা।

সে সমাবেশে শিবসেনা নেতা উদ্ধব ঠাকরে মন্দির বানানো না-হলে বিজেপি আবার ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগে মন্দির, তারপর সরকার!

হিন্দুত্বাদী সংগঠনের পূর্ব ঘোষিত এই সমাবেশ ও হাজার হাজার মানুষের জড় হওয়া নিয়ে অযোধ্যায় মুসলিমদের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির বিষয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ও বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটির সদস্য জাফরইয়াব জিলানি বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ অযোধ্যায় যেভাবে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে তাতে শহরের মুসলিমরা ভয়ে ভয়ে আছেন।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের রাখতে সেখানে র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াডের পাঁচটি কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রভিন্সিয়াল আর্মড কনস্টেবুলারির ৪২টি কোম্পানি ও হাজারখানেক পুলিশকর্মীও শহরে টহল দিচ্ছে। এছাড়া ড্রোন দিয়েওআকাশ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে বরাবরের মত। তারপরও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে  কি না এ নিয়ে বেশ চিন্তিত আছেন গবেষকরা।

সূত্র: বিবিসি নিউজ ইংরেজি