বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মেক্সিকো সরকারের অস্থায়ী কাজের সুযোগ দেয়ার ঘোষণার পরও থেমে নেই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল।

অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঠেকাতে তাই মেক্সিকো সীমান্তে নতুন করে পাঁচ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে কার্যকারিতা ও আর্থিক দিক বিবেচনায় এর যৌক্তিকতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আগে এমন পদক্ষেপ 'রাজনৈতিক কৌশল' কিনা তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙ্গানি বা মেক্সিকো সরকারের অস্থায়ী নিরাপত্তার আশ্বাস-উপেক্ষা করেই হন্ডুরাস এবং গুয়াতেমালা থেকে প্রায় ৪হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি দল এখন পাড়ি দিচ্ছে উত্তর আমেরিকার পথ। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

ঢল ঠেকাতেই 'অপারেশন ফেইথফুল প্যাট্রিয়ট'এর অধীনে ৫,২০০ সৈন্য মাঠে নামাতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। যাদের উদ্দেশ্য টেক্সাস, অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া সীমানায় নিরাপত্তা জোরদার করা। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করবে এসব সেনা।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, অভিবাসন প্রত্যাশীদের আটক বা হয়রানির এখতিয়ার নেই এসব সৈন্যদের। কেবল সীমান্ত রক্ষীদের সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারবে তারা। আর তাই শরণার্থী ইস্যুতে এ পদক্ষেপ মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা কিনা, এ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

এপির সাংবাদিক এলিয়ট স্পাগাট বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের দমাতে সেনা হস্তক্ষেপ আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ। তাছাড়া, যে সমস্ত এলাকায় এসব সেনা যাচ্ছে, সেখানে শরণার্থীদের আটককেন্দ্র বা কোর্টের সংখ্যা খুবই সীমিত। সেক্ষেত্রে এসব সৈন্যরা ঠিক কি করবে, বিষয়টা পরিষ্কার না।

নতুন করে সেনা মোতায়েনের পেছনে কত খরচ হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও এ সেনা নিয়োগে কত অর্থ খরচ হচ্ছে, তা এখনো জানা যায় নি।

তবে, এ বছরের শুরুর দিকে সীমান্তে নিয়োজিত দু'হাজার সৈন্য মোতায়েনের জন্য প্রায় ১৮৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার গুণতে হয়েছে সেনাবাহিনীকে। নভেম্বরের ৫ থেকে ডিসেম্বরের ১৫ পর্যন্ত এসব সৈন্য সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন ঐক্যফ্রন্টের ১৬ নেতা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ