তামিম আহমেদ: বাংলাদেশের কিছু মানুষ প্রতি বছর দারিদ্র সীমার নিচে নেমে যাচ্ছে । কেউ কেউ দারিদ্রতার কারনে আত্নহত্যা পর্যন্ত করছে। এক সময়ের হাসি খুশি সচ্ছল মানুষ গুলো যখন মানবেতর জীবন যাপন করেন তখন তা আমাদের ব্যথিত করে, মর্মাহত করে।
এক সময়ের সচ্ছল কৃষক, ব্যবসায়ী জাদের এক সময় চাষের জমি ছিল,পালে গরু ছিল, পুকুর ভরা মাছ ছিল, লাঙ্গল জোয়াল ছিল ।
সময়ের পরির্তনের সাথে সাথে আজ তারা নিঃস্ব, ভুমিহিন, সর্বহারা, ফেরারি, রাস্তার ভিখারির চেয়েও মানবেতর জীবন যাপন করছে । তার কারণ আমার কাছে এগুলোই মনে হচ্ছে।
১. অলসতা/কর্মবিমুখতা এদেশে জনসংখ্যার বিরাট একটি অংশ জীবিকার্জনের জন্য পরিশ্রম না করে কর্মবিমুখ, অলস সময় কাটায়। পৈতৃকভাবে প্রাপ্ত জায়গা-জমি অনাবাদী রেখে গ্রাম্য চা স্টলে বসে, বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডায় অনেক লােক তাদের দিন পাড় করে দেয়। সময় নিঃস্বের খাতায় নাম লেখায় এমন উদাহরণ আমাদের আশেপাশে বিরল নয়।
২. পুঁজির অভাব অনেকের সামর্থ্য ও যােগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্রয়ােজনীয় পুঁজির অভাবে নিজেদের দারিদ্র ঘুচানাের জন্য কোন উদ্যোগ নিতে পারে না।
৩. শিক্ষার অভাব বাংলাদেশের এক অন্যতম সমস্যা। যথাযথ শিক্ষা না থাকায় তারা দেশে এবং বিদেশে উচ্চ মজুরি থেকে বঞ্চিত হয় এবং দারিদ্র্যের শিকার হয়।
৪. অনর্থক ভােগ-বিলাস, সম্পদের অপব্যবহার, প্রেম, যাত্রা, সিনেমা ইত্যাদি কাজে অর্থের অপচয় করে। এদেশের বহুলােক দারিদ্র্যে নিপতিত হয়।
৫. জুয়া বাংলাদেশের সর্বত্র এক মারাত্বক ব্যাধিরূপে ছড়িয়ে পড়েছে। উচ্চবিত্তের প্রাসাদ থেকে ফুটপাতের গৃহহীন পর্যন্ত এ ব্যধিতে আক্রান্ত।জুয়ার আসরে বসে নিজের ব্যবহার্য জিনিস, ঘরের আসবাব-পত্র এমনকি ঘরের চালের টিন পর্যন্ত পানির | দামে বিক্রি করে দেয়ার মত ঘটনাও ঘটে থাকে।
৬. মামলাবাজি গ্রামাঞ্চলে একটি কথা প্রচলিত আছে, যদি কাউকে দরিদ্র বানাতে চাও, তাহলে তাকে একটি মামলায় জড়িয়ে দাও।' একবার কেউ মামলায় জড়িয়ে গেলে তা সহজে আর মিটমাট হয় না। কোন কোন মামলা বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে। এভাবে মামলাবাজি করে অনেক লােক দারিদ্র্যে নিপতিত হয়।
৭. বহুবিবাহের প্র বণতা সমাজে কিছু লােক রয়েছে যারা কারণে-অকারণে স