শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামি আইন বাস্তবায়নে বাধা ক্ষমতার লোভ ও স্বার্থ: মাওলানা ফজলুর রহমান সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে যুবসমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: জমিয়ত সভাপতি ফাজিল-কামিল মাদরাসায় সব ধরনের নিয়োগ বন্ধের নির্দেশ কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন জুমার খুতবার প্রস্তাবে তীব্র প্রতিক্রিয়া জুমার দুই খুতবার মাঝখানে কোন দোয়া পড়বেন? মৌলভীবাজার জেলা জমিয়তের নতুন কমিটি গঠন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেসব কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন পীর সাহেব চরমোনাই কক্সবাজারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাগরিক সমাবেশ ছয় মাসে ৫৩৫২ মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ মক্কা-মদিনার দুই পবিত্র মসজিদে আজ জুমার ইমামতি করবেন যারা

মিয়ানমারের রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করছে চীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইনে বঙ্গোপসাগরে একটি গভীর সমুদ্রবন্দরসহ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) নির্মাণের চুক্তি করতে যাচ্ছে চীন।

দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী এবং এসইজেড কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উ থান মিন্টকে উদ্ধৃত করে গতকাল দ্য মিয়ানমার টাইমস এ খবর প্রকাশ করেছে। ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তের অদূরেই হবে চীনের এ বন্দর। ফলে ভারতের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে এটি।

তুরস্ক মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের পথে

উ থান বলেন, রাখাইনে কায়ুকফায়ু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণে রূপরেখা চুক্তি সইয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে মিয়ানমার ও চীন। এ বছরের শেষ দিকে চুক্তিটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আওতায় চীন এসইজেড

অঞ্চলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গভীর সমুদ্রবন্দরের ৭০ শতাংশের মালিক হবে। বাকি ৩০ শতাংশ থাকবে মিয়ানমার সরকার ও স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে।

তবে প্রাথমিক চুক্তিতে ওই বন্দরের ৮৫ শতাংশ মালিকানা চেয়েছিল চীন। মিয়ানমারের আপত্তির কারণে শেষ পর্যন্ত তা কমিয়ে আনা হয়। নতুন মালিকানা কাঠামো ও বন্দর নির্মাণে রূপরেখা চুক্তির খসড়া গত আগস্টে এসইজেড কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়।

নতুন সমঝোতা অনুযায়ী, মিয়ানমারের অর্থনৈতিক বোঝা কমাতেও সহায়তা করবে চীন। চুক্তির শর্ত চূড়ান্ত ও রূপরেখা চুক্তি সই হওয়ার পরই শুরু হবে বন্দর নির্মাণের কাজ।

প্রায় ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ওই গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে অর্থায়ন করবে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সিআইটিআইসি গ্রুপের নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম।

এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পশ্চিমে যেখানে কায়ুকফায়ু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) হবে সেখান থেকে মাত্র ২০০ কিলোমিটার দূরে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে নেমেছিল সেনাবাহিনী।

চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যেই শিল্প ও পরিকাঠামো তৈরির জন্য ১ হাজার ৭০০ হেক্টর এলাকা নিয়ে এ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তিনটি বৃহৎ প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে চীনের স্বার্থ জড়িত।

বর্তমানে কায়ুকফায়ুতে ছোট আকারের একটি সমুদ্রবন্দর রয়েছে, যা দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে ব্যবহার করা হয়। সেটি গভীর সমুদ্রবন্দর হিসেবে পুনর্নির্মিত হলে এর