বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

ত্রিপোলিতে সরকারবিরোধীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৫০

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে সরকারবিরোধী বাহিনীর সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের সংঘর্ষ চলছে গত কয়েকদিন ধরে। টানা লড়াইয়ের পর আজ পর্যন্ত মৃত্যু বরণ করেছে প্রায় ৫০ জন।

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি ও এর পাশের অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করেছে লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত জাতীয় ঐক্য সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মানুষের জানমাল ও সরকারি সম্পদ-প্রতিষ্ঠান রক্ষার স্বার্থে এই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

আল জাজিরার বিবৃতিতে জানা গেছে বিদ্রোহীদের ছোড়া রকেটে বেশির ভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ দুই পক্ষকে আলোচনায় বসার জন্য তাগিদ দিয়েছে।

২০১১ সালে গাদ্দাফি শাসন অবসানের পর থেকেই দেশটি শাসন করছে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ। এই দুটি গ্রুপকে আবার সমর্থন করছে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী। এর মধ্যে রাজধানী ত্রিপোলিসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকা শাসন করছে জিএনএ গ্রুপ।

এই জিএনএ গ্রুপকেই জাতিসংঘ লিবিয়ার বৈধ সরকার হিসেবে সমর্থন করে। দেশটির পূর্ব দিকে রয়েছে জেনারেল খলিফা হাফতার সমর্থিত আরেকটি বিদ্রোহী গ্রুপ।

এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, কারাগারের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লড়াইয়ের সময় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার সুযোগে রাজধানী ত্রিপোলির একটি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে ৪০০ বন্দী।

গত রোববার ঘটনাটি ঘটেছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে লিবিয়ার বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

লড়াই কারাগারের কাছাকাছি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার সময় বন্দীরা কারাগারের দরজাগুলো খুলে ফেলে।

ব্যবসার নিয়ে জটিলতার দিন শেষ – বিস্তারিত জানুন

এ সময় কারারক্ষীরাও তাদের বাধা দিতে পারেননি বলে জানিয়েছেন বিচার বিভাগের ওই কর্মকর্তা। তবে তিনি নিজের পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন এবং বিস্তারিত আর কিছু জানাননি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগস্টের শেষের দিকে সংঘটিত এ সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৮৩ জন আহত হয়েছে। নিহত হয়েছে প্রায় ৫০জন থেকেও বেশি।

উল্লেখ্য, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই সরকারের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করলেও তারা স্বাধীনভাবেই কার্যক্রম পরিচালনা করে।

এই পরিস্থিতিতে লড়াই শেষ করতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে মঙ্গলবার দুপুরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের লিবিয়া মিশন।

সূত্র: আরব নিউজ

‘বর্তমানে ইসলামিক স্কুল নির্মাণ মসজিদ নির্মাণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ’
তালাকের মহামারি; সমাজের দুই বাহুর ভাবনা!

এটি/আওয়ারইসলাম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ