রকিব মুহাম্মদ
অাওয়ার ইসলাম
কুষ্টিয়া আদালত প্রাঙ্গনে অবরুদ্ধ করার পর দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা করেছে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২২ জুলাই) দুপুরে কুষ্টিয়া আদালত ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সেখানে মাহমুদুর রহমানকে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
মাহমুদুর রহামনের ওপর হামলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যায়, অতর্কিত ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে মাহমুদুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করছে। প্রশাসন কর্তৃপক্ষ তাকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ অব্যাহত রাখে।
ভিডিও ফুটেজটিতে দেখা যায়, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রক্তাক্ত শরীরে বলছেন, ‘অামি দেশ ও ইসলামের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত আছি।’
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও টিউলিপ সিদ্দিকীকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষারের করা একটি মামলায় রবিবার কুষ্টিয়া সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মাহমুদুর রহমান।
উভয়পক্ষের শুনানির পর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম এ মোর্শেদের আদালত থেকে তিনি জামিনও পান। ১০ হাজার টাকা জামানতে স্থায়ীভাবে তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে তিনি সঙ্গীদের সাথে আদালত থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে আদালত ভবনের প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আটকে দেয়। এসময় তিনি পুনরায় আদালতের এজলাসে আশ্রয় নেন।
দীর্ঘ সময় একই পরিবেশ বিরাজ করায় তিনি আদালতকে বিষয়টি জানান। পরে লিখিতভাবে পুলিশ প্রেটেকশনের জন্য তিনি আবেদন করেন।
দুপুর ১টার দিকে মাহমুদুর রহমান সঙ্গীদের নিয়ে আদালত থেকে বের হওয়ার মুহূর্তে আদালত ভবনের প্রতিটি দরজায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে আটকে দেয়। এ সময় তিনি পুনরায় আদালতের এজলাসে আশ্রয় নেন।
পরে তিনি আদালত এলাকা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমানের মাথা, শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। পরে তিনি মহিলা আইনজীবী সমিতির অ্যাডভোকেট সামস তামিম মুক্তির চেম্বারে গিয়ে আশ্রয় নেন। এ সময় সেখানেও হামলা চালায় ছাত্রলীগ। পরে পুলিশের পাহারায় ঢাকার পথে রওনার নির্দেশ দেন আদালত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাà