সুলতান মাহমুুদ বিন সিরাজ
মাদক বর্তমান সময়ের সবচে' আলোচিত একটি সমস্যা। বলতে গেলে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা। নিজেদের প্রয়োজনে সমাজের সর্বস্তরের জনগণ আজ মাদকের বিরুদ্ধে সক্রিয়।
সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। এক কথায় মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। তারপর কি মাদকের সীমাহীন অগ্রযাত্রা থেমে গেছে?
পাঠক সমাজকে বললে উত্তর আসবে, থামেনি হয়তো সাময়িক কিছুটা রোধ করা গেছে।
সেভাবে নিমূর্ল করা যায়নি।
মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কত তরতাজা প্রাণ অকালে ঝরে যাচ্ছে মাদকের ছোবলে। দেশের আনাচে-কানাচে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে মাদক। সর্বস্তরে এ নিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা। কিন্তু মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে মুক্তির উপায় কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে একটি জাগরণ সৃষ্টি করতে না পারলে এ গুরুতর সমস্যা থেকে উত্তরণের কোনো পথ পাওয়া যাবে না। সে পথেই এগুতে হবে।
নিষিদ্ধ জগতে অস্ত্রের পর মাদকই সবচেয়ে লাভবান ব্যবসা। বিশেষ করে ফেনসিডিল ও ইয়াবা সহজলভ্য ও বহনযোগ্য বলে এর বিস্তার দেশজুড়ে। সত্যি বলতে কি দেশের এমন কোনো এলাকা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে মাদকের থাবা নেই।
সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজন মাদক কারবারের সাথে জড়িত। তারা বিভিন্ন কলাকৌশলের আশ্রয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে। সত্যি বলতে কি দেশজুড়ে এক বিশাল জাল বিস্তার করে আছে এ মরণ নেশার ভয়াবহ সিন্ডিকেট। আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র মাফিয়াদের সঙ্গে রয়েছে এদের শক্ত ও গভীর যোগাযোগ।
‘যারা ইতোমধ্যেই মাদকাসক্ত হয়েছে তাদেরও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সুস্থধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। বাড়াতে হবে মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সংখ্যাও। সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করে যার যার অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করে এই যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে।’
মাদকের রয়েছে বিভিন্ন রুট। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর, সীমান্ত এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি। এর কিছু ধরা পড়ে। বাকিটা চলে যায় মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের কাছে।
মাদকাসক্তি ও উশৃঙ্খল জীবন নিয়ন্ত্রণে সহজ সমাধান হলিকেয়ার
রাজধানীতেও মাদকব্যবসা রমরমা। মাদকের জগতে এক সময় ‘হেরোইন’ নামক মরণ নেশা ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিলো। এ পদার্থটি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে নিঃশেষ করে অবধারিত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। এটি খুব দামি বলে পরবর্তী সময়ে এর স্থান দখল করে নেয় ফেনসিডিল ও ইয়াবা।
বর্তমান নেশাসক্ত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে এ দুটি নেশাদ্রব্য বেশি জà¦