মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

যার মেয়ে নেই সে কীভাবে জান্নাতে যাবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

উম্মে আবদুর রহমান :  উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি কন্যার দায়িত্বশীল হয় এরপর তার প্রতি সুন্দর আচরণ করে তাহলে এই কন্যারা তাকে জাহান্নাম থেকে আড়াল করে রাখবে।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ১৪১৮, ৫৯৯৫

আবু সায়ীদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত অন্য হাদীসে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তিনটি মেয়েকে, অন্য রেওয়ায়েতে আছে, অথবা দুটি মেয়েকে লালন-পালন করে তাদেরকে আদব শিক্ষা দেয়, বিবাহের ব্যবস্থা করে এবং তাদের প্রতি সুন্দর আচরণ করে সে জান্নাতের অধিকারী হবে। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৫১৪৭

এই মর্মের হাদীস আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা.ও বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তিনটি মেয়ের লালন-পালন করে, তাদের ব্যয়ভার বহন করে এবং তাদের প্রতি সুন্দর আচরণ করে তার জন্য জান্নাত অবধারিত।

এ কথা শোনার পর, একজন বেদুঈন দাঁড়িয়ে আরজ করল, ‘দু’জন মেয়েকে লালন-পালন করলে?’ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ, দু’জনকে লালন-পালন করলেও।

(উপস্থিত সাহাবীদের ধারণা) সে যদি একজন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করত তাহলেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘হ্যাঁ’বলতেন।-মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদীস : ২৪৫৭

একটি প্রশ্ন ও তার উত্তর

একদিন তালীমের মজলিসে এই হাদীস শরীফ আলোচনা করেছিলাম। একজন ছাত্রী জিজ্ঞাসা করল, ‘যার মেয়ে নেই সে কীভাবে জান্নাতে যাবে? তার প্রশ্নটি ছিল খুব সুন্দর। আসলে আল্লাহ তাআলা অনেক দয়ালু ও মেহেরবারন।

সবার জন্যই বেহেশতে যাওয়ার অনেক উপায় তৈরি করে রেখেছেন। এগুলো যেন জান্নাতে যাওয়ার বিভিন্ন দরজা।

সুতরাং যার জন্য যে দরজা দিয়ে জান্নাতে ঢোকা সম্ভব সে সেই দরজা দিয়ে জান্নাতে ঢুকবে। আর যেসব সৌভাগ্যবানের জন্য জান্নাতের অনেক দরজা, কিংবা সবকটি দরজা খোলা থাকবে তাদের মর্যাদা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

এই দেখুন, নিচের হাদীসগুলোতেও জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখানো হয়েছে।

ওমর রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি অযু করে এবং উত্তমরূপে অযু করে, এরপর কালিমা শাহাদত ও এই দুআ পড়ে-

اللهم اجعلني من التوابين واجعلني من المتطهرين

তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হয়। যà§