মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

ট্রেনযাত্রায় নিশ্চিত হোক নিরাপত্তা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ ফয়জুল আল আমীন
কবি, গবেষক ও সাংবাদিক

আমাদের দেশে সড়কপথে প্রতিদিনই কিছু দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। নানা কারণে যানজটও বেড়ে উঠেছে বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে। নিরাপত্তাহীনতা আর যানজটের ঝক্কি এড়াতে যাত্রীদের এক বড় অংশ তাই ট্রেনে যাত্রা করেন। সড়কপথের ওপর চাপ কমাতে ট্রেনযাত্রায় উৎসাহ জোগাতে বিভিন্ন সময় আমরাও পরামর্শ দিয়ে থাকি। এ লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এমন বাস্তবতায়, ১৫ এপ্রিল টঙ্গী রেলওয়ে জংশনের অদূরে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ঘটনা। আর এই দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন বক্তব্য। অবশ্য যথাযথ তদন্ত ছাড়া তা খুঁজে বের করা যে কঠিন-এই কথাও সত্য। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেএ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রকাশিত একাধিক সংবাদ প্রতিবেদনে প্রতীয়মান ওই দুর্ঘটনার পর এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি হয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। এটা ভালোভাবে দূর করা না গেলে এর চাপ গিয়ে পড়বে ওই দিক থেকে ঢাকায় প্রবেশের সড়কে। এজন্য চাইব, যাত্রীদের ভীতি দূর করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয় যেন।

গাজীপুর ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে সকালে রাজধানীতে এসে অফিস ধরার জন্য অনেক চাকরিজীবীই নির্ভর করেন ওই রুটে চলা ট্রেনের ওপর। দুর্ঘটনার কারণে সময়সূচিতে বিপর্যয় ঘটলে তাদের একাংশকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। বিশেষ করে কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত কোথাও ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলে নারায়ণগঞ্জ ছাড়া রেলযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে সারা দেশের সঙ্গে। যে কারণে রেলপথের এই অংশে দুর্ঘটনা এড়াতে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্যমতে, এরই মধ্যে ওই স্টেশনের আগে ও পরে সংকেত ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয় করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় কোনো ত্রুটি থাকলে ট্রেন চলার কথা নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থায় ভুল সংকেতের কারণে ট্রেনটি কীভাবে দুর্ঘটনায় পতিত হলো, সেটিও এক বড় প্রশ্ন।

খবরে প্রকাশ, শনিবার (১৪ এপ্রিল) রাতেও একই স্থানে দুর্ঘটনায় পড়েছিল আরেকটি ট্রেন। বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ট্রেনের কিছু যন্ত্রপাতি। একই স্থানে পরপর দুদিন ট্রেন দুর্ঘটনাকে নিছক ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে দেখার উপায় আছে কি? তাই রেলপথের ওই অংশে বিশেষ কোনো কারিগরি ত্রুটি রয়েছে কি না- তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তেমন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সেটা দ্রুত সারানোর ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে হবে যাত্রী নিরাà