বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


পশ্চিমা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর আসাদ এখন কোথায়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের যৌথ বিমান হামলার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থাকে যে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ কোথায়? কেমন আছেন তিনি?

সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে টুইটারে পোস্ট করা ছয় সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে প্রেসিডেন্ট আসাদ হাতে একটি ব্রিফকেস নিয়ে মার্বেলের তৈরি মেঝের ওপর দিয়ে হেঁটে বড় একটি ঘরে প্রবেশ করেছেন। সেটিকে প্রেসিডেন্টের অফিস হিসেব দাবী করা হচ্ছে। সে সময় মি. আসাদ কালো স্যুট পরিহিত ছিলেন।

তবে সে ভিডিওতে প্রেসিডেন্ট আসাদের চেহারা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল না। প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে বলা হচ্ছে, হামলার পর সকালে প্রেসিডেন্ট আসাদ তাঁর অফিসে এসেছিলেন এবং এ ভিডিওটি সে সময় ধারণ করা হয়েছে।

বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, মিসাইল হামলার পর সকালে দামেস্কের রাস্তা অন্যান্য দিনের মতোই ব্যস্ত ছিল। শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশিচৌকিগুলো অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে ছিল। অন্যান্য দিনের মতো কড়াকড়ি ছিল না।

দোকানপাট যথারীতি খুলেছে এবং মানুষজন তাদের কাজে গিয়েছে। দামেস্ক শহরের কেন্দ্রস্থলে সিরিয়ান টেলিভিশন ভবনের সামনে বেশ কিছু মানুষ জড়ো হয়েছে।

তাঁরা সিরিয়া, সেনাবাহিনী এবং প্রেসিডেন্ট আসাদের পক্ষে শ্লোগান দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভয়ে তারা ভীত নন এবং কোন অবস্থাতে সিরিয়ার সেনাবাহিনী এবং বাশার আল আসাদের প্রতি তাদের সমর্থন যাবে না।

মিসাইল হামলা চালানোর পরে প্রথম প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ জানিয়েছেন, এর ফলে সিরিয়ার মানুষ সন্ত্রাসবাদ শেষ করতে আরও বদ্ধপরিকর হয়ে উঠবেন। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে এক টেলিফোন-বার্তায় বাশার আল আসাদ এই মন্তব্য করেন বলে জানানো হয়েছে তাঁর দপ্তরের টুইট অ্যাকাউন্ট থেকে।

অন্যদিকে, মি. রুহানি ওই টেলিফোন বার্তার সময়েই সিরিয়ার প্রতি আবারও ইরানের পূর্ণ সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন বলে দাবী করা হয়েছে ওই টুইট বার্তায়। সিরিয়ায় মি. আসাদের সরকারকে ইরান সৈন্য এবং অর্থ দিয়ে সাহায্য করছে বলে মনে করা হয়।

পশ্চিমা মিসাà¦