বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


৬ এপ্রিল ইসলামী আন্দোলনের একটি মাইলফলক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল লতিফ নেজামী

৬ এপ্রিল ইসলামী আন্দোলনের একটি মাইল ফলক। ২০১৩ সালের এদিনে হেফাজতে ইসলামের ডাকে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা লংমার্চ ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাসমাবেশ।

মহানবী সা. সম্পর্কে ব্যাঙ্গাত্মক, অরুচিকর ও অবমাননাকর উক্তির জন্যে দায়ী ব্লগারদের সর্বোচ্চ শাস্তি সম্বলিত আইন প্রণয়নের দাবিতে একর্মসূচি পালিত হয়। আর এই ঐক্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র হচ্ছেন দেশ বরেণ্য আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা শাহ আহমদ শফী।

কারণ তিনি তৌহিদী জনতার চিন্তা-চেতনায় গভীর ও ব্যাপক অধিকার বিস্তার করেছিলেন। এতে শাহ আহমদ শফীর স্বরূপ প্রতিভাত হয় বর্ণাঢ্য রূপে, সহজ এবং আন্তরিক মর্মস্পর্শীতায়।

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে সংঘটিত লংমার্চে একটি চৈতন্যের সাড়া অনুভূত হয়। সূচিত হয় মহানবীর সা. মর্যদার পতাকাকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে শাহাদাতের নবতর অধ্যায় ।

এই জাগরণের মাধ্যমে মহানবীর সা.মর্যদা রক্ষার জন্যে আপসহীন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার এবং প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়, যা মুসলিম মননকে প্রেরণা যোগাচ্ছে।

যাকে বেষ্টন করে এদেশের তৌহিদী জনতার মনন বিশেষ তাৎপর্য চেতনায় সমৃদ্ধ হয়, তিনি (আল্লামা আহমদ শফী) শান্তি, বিশ্রাম উপেক্ষা করে একজন বৃদ্ধ জরাগ্রস্ত, স্বাস্থ্যহীন মনুষ নেমে পড়লেন দুর্ধর্ষ সংগ্রামে দুর্জয় বিশ্বাস নিয়ে। জরাজীর্ণ বার্ধক্যে এরূপ অদ্ভুত কর্মোদ্মাদনা সত্যিই বিস্ময়কর।

অনৈক্য, দ্বিধা, দ্বন্ধ ও সংশয়াগ্রস্থ যখন এদেশের তৌহিদী জনতা। তখন বৃদ্ধ শাহ আহমদ শফী তাঁর জীবনের মহত্তম, কঠিনতম ও শেষতম কর্মের আহ্বান পেলেন অন্তর্দেশ থেকে।

অপূর্ব আত্মবিশ্বাস, অদম্য উৎসাহ, দুর্জয় সাহস এবং অসাধারণ প্রজ্ঞার সাহায্যে তিনি মাত্র এক মাসের (৯ মার্চ থেকে ৬ এপিল) মধ্যে নবীপ্রেমিক জনতাকে একটি সংঘবব্ধ শক্তিতে পরিণত করেন। যেন কোনো যাদুমন্ত্রের আকর্ষণে বিচ্ছিন্ন, আত্মবিশ্বাসহীন, দুঃসহ ও বিঘ্নসংকুল একটা গোষ্ঠীকে ঐক্যে সমবেত হয়ে তাঁর আহ্বানের প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে গেলো।

আল্লাহর মেহেরবানী মূর্ত হয়ে শাহ আহমদ শফীর আকারে আত্মপ্রকাশ করেছিল বলে’ই এই অসম্ভব সম্ভম হয়েছিল। অনেকে সন্দিগ্ধচিত্ত ছিলেন। কিন্তু বিরাট জনতা সেদিন এক নতুন দিগন্তের, নতুন আলোক রেখার সন্ধান পেয়ে নব উৎসাহে, নব উদ্দীপনায় অনুপ্রাà¦