রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬ ।। ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দলে গতি আনতে পরিকল্পনা জানালেন ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব ‘এ দেশে এক পীরের যত মুরীদ আছে পুরো জামায়াত মিলেও এত লোক নেই’ জমিয়তের ঢাকা মহানগর উত্তর কাউন্সিল সফল করতে মতবিনিময় সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির কে কোন দায়িত্ব পেলেন জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া সেই যুবক মুয়াজ্জিন নন! আমিরে মজলিসের সঙ্গে বগুড়া জেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন পীর সাহেব চরমোনাই

বিএনপিতে অস্থিরতা জোটে মনোমালিন্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  আন্দোলনের জন্য কর্মীদের চাপের পাশাপাশি সিনিয়র নেতাদের তেমন সহযোগিতা পাচ্ছেন না বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলাম আলমগীর। কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত্ম নেয়ার জন্য বৈঠক ডাকা হলেও নানা অজুহাতে অনেকে তাতে যোগ দিচ্ছেন না হাসান মোল্লা।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় বিএনপিতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মুক্তি বিলম্বিত হওয়ার জন্য আইনজীবীদের ভুলের বিষয়টি সামনে আসাসহ কয়েকটি কারণে আইনজীবীদের মধ্যে একরকম বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে।

এ ছাড়া নির্বাচনের বিষয়ে এখনই একটা সিদ্ধান্ত্ম নেয়ার ইসুকে কেন্দ্র করে ২০ দলীয় জোটের মধ্যে মনোমালিন্য আছে। আর যৌথ নেতৃত্বে দল পরিচালিত হওয়ায় এক ধরনের সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। সিনিয়র নেতাদের কেউ আলোচনার মাধ্যমে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার আহ্বান জানাচ্ছেন, আবার কেউ কঠোর হওয়ার হুশিয়ারি দিচ্ছেন।

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর সাজা হওয়ায় গত ৮ ফেব্রম্নয়ারি থেকে কারাগারে আছেন খালেদা জিয়া। হাইকোর্ট জামিন দিলেও গত সোমবার সুপ্রিম কোর্ট আগামী ৮ মে পর্যন্ত্ম জামিন স্থগিত করে দেয়।

ফলে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত্ম খালেদা জিয়া জামিন নাও পেতে পারেন, এমন ধারণা বিএনপির পাশাপাশি জনমনেও সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এর আগ পর্যন্ত্ম বিএনপিসহ সমাজের বড় অংশই মনে করত, খালেদা জিয়া খুব কম সময়ের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে আসবেন।

বিএনপির মধ্যেও এমন আশা ছিল। গত সোমবার থেকে সেই আশা হতাশায় পরিণত হয়। আর খালেদা জিয়ার মুক্তি বিলম্বিত হওয়ায় দল ও জোটে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিশেষ করে মুক্তি বিলম্বিত হওয়ার জন্য নেতারা আইনজীবীদের দায়ী করছেন। এ নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। নিয়োগ করা হয়েছে বিদেশি আইনজীবীও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার মুক্তির বিলম্বিত হওয়ার পেছনে আইনজীবীদের কী কী ভুল ছিল তা দলের পক্ষ থেকে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে সামনে আসা দুটি বিষয় হচ্ছে- এক. জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন না করার পাশাপাশি বেশকিছু ক্ষেত্রে ভুল সংশোধন না করেই আদালতে খালেদা জিয়ার জবানবন্দি জমা দেয়া।

দুই. সাজা হওয়ার আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া মামলাগুলোতে জামিন নেয়ার পরামর্শও দেননি আইনজীবীরা। ফলে কারাগারে থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার দেখানোর মতো আইনি পঁ্যাচে পড়তে হয়েছে খালেদা জিয়াকে। এ অবস্থায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আইনজীবীদের বিষয়ে করণীয় ঠিক করতে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ