শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নতুন মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দ চূড়ান্ত, কে কোথায় পেলেন রোজায় পানি শূণ্যতা পূরণ করবে যে ৫টি ফল

এবার পদত্যাগ করলেন মিয়ানমারের স্পিকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  প্রেসিডেন্ট উ থিন কিউয়ের পর এবার পদত্যাগ করেছেন মিয়ানমারের পার্লামেন্ট স্পিকার উ উইন মিন্তও। বুধবার পার্লামেন্ট অধিবেশন চলাকালে তার এ পদত্যাগের কথা জানান ডেপুটি স্পিকার থি খুম মিন্ত। খবর: বিবিসি, মিয়ানমার টাইমস

দায়িত্ব নেয়ার দু’বছর পর পদত্যাগ করলেন মিন্ত। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশটির হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি।

তবে কেন পদত্যাগ করলেন মিন্ত সে সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি এখনো। পদত্যাগের সময় তিনি ছুটিতে ছিলেন। মিয়ানমারের সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সদ্য পদত্যাগ করা প্রেসিডেন্ট থিনের জায়গায় তার নাম প্রস্তাবিত হয়েছে। সেটি হলে থিনই হবেন ১৯৪৮ সালে স্বাধীন হওয়া দেশটির ১০ম প্রেসিডেন্ট।

এর আগে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়ান স্টট কাউন্সিলর অং সান সু চির অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলে পরিচিত উ থিন কিউ। ৭১ বছর বয়সী কিউ ছিলেন সু চির শৈশবের বন্ধু। সেইসাথে দীর্ঘদিন তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেন।

মিয়ানমারে দীর্ঘ কয়েক দশকের সামরিক শাসন শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আসে অং সান সু চি’র দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। সাংবিধানিক বাধার কারণে সু চি প্রেসিডেন্ট হতে না পারলে তার স্থলে দায়িত্ব নেন থিন।

তবে থিন ছিলেন মূলত আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট। কার্যত প্রেসিডেন্টের মূল দায়িত্ব পালন করছেন সু চিই। সেনাবাহিনীর সঙ্গে অং সাং সু চিই মূলত মিয়ানমারের সব নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে যাচ্ছেন প্রত্যক্ষ ও প্রকাশ্যে। যার কারণে রাখাইনে রোহিঙ্গা জাতিগত নিধনের ঘটনায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে থিনের বদলে সু চির নামই উচ্চারিত হয়েছে বারবার।

বিবিসি জানায়, এখন পর্যন্ত থিনের পদত্যাগের কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে সম্প্রতিককালে নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া থিন। তবে প্রেসিডেন্ট অফিস থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়োগ করা হবে। আর সে পর্যন্ত ভাইস-প্রেসিডেন্ট মিন্ত সোয়ে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। মিন্ত একজন সাবেক জেনারেল।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ