মূল : মিন্নাহ তিললাওয়ি
অনুবাদ : আরিফ বিললাহ
গাউন পরীহিতা সুউজ্জ্বলা যুবতী। পিঠ জুড়ে বেয়ে আসা দীঘল চুল। লীলাময়ী কোমর দুলিয়ে সম্রাটের সাথে নাচছে। পাশে রয়েছে হরেক স্বাদের মদ্যপেয়ালা।
অন্য দৃশ্যে, সম্রাটপতি ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে অথবা অর্থের বদলে রাজ্যীয় গোপন কথার সস্তা বাজার করছে।
কেউ বা টাকার বিনিময়ে সেরা হারটি কেনার ধান্দা করছে। এভাবে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও দশম দৃশ্যে ইতিহাস নারীকে তুলে ধরছে শুধুই ভ্রান্তী ও পতনের হেতু স্বরুপ।
প্রায় বিস্মৃত হয়ে যাচ্ছে সৎ জননীদের ঐতিহাসিক আলোকময় ভূমিকা সমূহ। এমন কি বোঝানো হয়ে থাকে ইসলামি সমাজের প্রথম যুগ দাড় হয়েছে শুধুই পুরুষদের প্রচেষ্টায়।
অন্য দিকে নারীগণ ছিলেন গৃহ পরিচর্যা ও সন্তান লালন-পালনের দায়িত্বে। এটি যদিও সুন্দর সমাজ বুননে তাদের বড় এক ভূমিকা। তাই বলে তারা শুধু মুরগির মত খাঁচাবন্দী ছিলেন না।
বরং যুগে যুগে ইসলামি সভ্যতা ও আদর্শ প্রচারে পুরুষদের থেকে তাঁরা খুব পিছিয়ে ছিলেন না। তাঁরা মসজিদ নববীর পাঠাসরে অংশ নিয়েছেন। নবিজির স্ত্রীগণের কাছে তাঁদের অতি আসা যাওয়ার কারণে ঘর কানায় কানায় ভরপুর থাকতো।
যেন ছোট খাটো সাংস্কৃতিক সভা। যেখানে বিভিন্ন মাসআলা ও বাস্তব জীবনের সমস্যা নিয়ে বাতচিত করা হতো।
আয়েশা রা. বলেন, আনসারি মহিলাগণ কত চমৎকার! লাজুকতা তাঁদের দ্বীন শেখায় বারণ করেনি।
নবিজির মৃত্যুর পর তাঁরাও নববীবার্তা বহন করেছেন। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ইসলামি শুদ্ধ সংষ্কৃতি প্রচার করেছেন।
ফাতেমা বিনতে আলাউদ্দিন সমরকান্দী। যিনি ইসলামি ফেকাহজগতে অনুসরণীয় প্রদীপতুল্য। শিক্ষাপ্রদান করেছেন। ফেকাহ ও হাদিস শাস্ত্রে বেশ কয়েকটি বইও লিখেছেন।
বাদশাহ নুরিদ্দিন শহিদ-রাজ্যীয় বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর থেকে পরামর্শ নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেছেন। বিখ্যাত ইতিহাস লেখক কাসানি রহ. ছিলেন তাঁরই জীবন সঙ্গী।
কাসানি রহ. এর থেকে কোনো অশুদ্ধতা প্রকাশ পেলে তিনি শুধরে দিতেন। বরং প্রকাশিত ফতোওয়াগুলো তাঁদের উভায়ের নামই বহন করতো।
নবিজির মৃত্যুর পরে সাহাবাগণ পারিবারিক বিষয়গুলো জানার জন্য তাঁর ঘরে এসে ভিড় করতেন। আয়েশা রা. তাঁদের অস্পষ্ট বিষয়গুলো বলে দিতেন।
আবু মুসা আশারী রা. আয়েশা রা. এর ব্যাপারে বলেন, আমাদের কাছে কà§