বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

‘আমাদের শিক্ষার্থীদের আলেমের পাশাপাশি ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া জরুরি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: গতকাল ওমর বিন খাত্তাব রা. মসজিদ-মাদরাসা কমপ্লেক্স ব্লক-প মিরপুর-১২ ঢাকাতে মাওলানা মুহাম্মদ সালমানের আহ্বানে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ও মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয় সাধনের লক্ষে “ইসলামি শিক্ষার রূপরেখা” বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি বায়তুল হামদ ইনস্টিটিউ আমেরিকার প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস এবং শরিয়াহ বোর্ড অফ নিউ ইয়র্কের চেয়ারম্যান মুফতি জামাল উদ্দিন বলেন,
আজকের দুনিয়ায় রাসুল সা. এর প্রতিষ্ঠিত দীনের দুটি অংশের আংশিক প্রচলন আছে। তার মধ্যে একটি হলো আকায়েদ এবং অন্যটি হলো ইবাদাত ।

প্রথমত, আকায়েদের যা কিছু আলোচনা হয় তা পরিপূর্ণ নয়। প্রকৃত পক্ষে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই য়েখানে পরিপূর্ণ আকায়েদ শিক্ষা দেওয়া হয়।

দ্বিতীয়ত, আমল যার আংশিক প্রচলন আছে। যেমন নামাজ, রোজা, হজ ও যাকাত। বাকি তিনটি মুয়ামালাত মুয়াশারাত ও আখলাক এর শিক্ষা বা আলোচনা হয় না বললেই চলে। যাও রয়েছে তা অপ্রতুল এই অবমূল্যায়নের পেছনে আছে দীনহীন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং যুগের চাহিদা পূরণে ধর্মীয় শিক্ষায় প্রয়োজনীয় জাগতিক শিক্ষা না থাকা।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে তিন ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এক. জেনারেল শিক্ষাব্যবস্থা। দুই. আলিয়া মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ও তিন. কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা।

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই পরিবর্তনের কারণে শিক্ষা গ্রহণের শুরু থেকেই একদল আরেক দলের প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়ায়। এই আস্থাহীন ও প্রতিপক্ষ মনোভাব দূর করা আমাদের লক্ষ।

ত্রিমুখী শিক্ষা ব্যবস্থাকে একত্রিকরণ করে একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়ন করা। যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা আলেম হওয়ার পাশাপাশি ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার উকিল হতেও বাধা থাকবে না।

তিনি আরোও বলেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগে গভর্নর ও বিচারক হওয়ার জন্য আলাদা কোনে প্রতিষ্ঠান ছিল না। একই শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মুফতি মুহাদ্দিসের পাশাপাশি গভর্নর ও বিচারক তৈরি হয়েছে। সে কারণেই দেশ ও জাতি বিভাজিত হয়নি। তাই সময় এসেছে এ বিষয়গুলো আমাদের ভেবে দেখার।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেমন ক. জাতীয় ইসলামি পরিবেশà