আওয়ার ইসলাম
কারাগারে বন্দি থাকা ২০ দলীয় জোটনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির আয়োজিত মানববন্ধন, অবস্থান বা অনশনের মতো কোনও কর্মসূচিতেই অংশ নেয়নি শরিক দল জামায়াতে ইসলামী। জোটের অন্য শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকলেও জামায়াতের কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল—কোনও পর্যায়ের নেতা-কর্মী-সমর্থকই ছিলেন না। যদিও জোটের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতেই জামায়াত সবসময় বিএনপির পাশে থাকবে, এমন কথা দিলেও দলটির কাউকেই দেখা যায়নি সোম, মঙ্গল ও বুধবারের কর্মসূচিতে। যদিও জামায়াত বলছে, জোটের নেতৃত্বদানকারী দল বিএনপি চায় না বলেই দলটির নেতাকর্মীরা এসব কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন না। তাদের দাবি, বিএনপির পক্ষ থেকে আহ্বান জানালেই জামায়াত এসব কর্মসূচিতে অংশ নেবে।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। ওই দিন থেকেই তিনি কারাবন্দি। এরই মধ্যে ওইদিন সন্ধ্যায় একটি বিবৃতি দিয়েছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার ডিভিশন চেয়ে আরেকটি বিবৃতি দেন তিনি।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে মানববন্ধন করে বিএনপি। এরপর মঙ্গলবার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে দলটি। সবশেষে বুধবার অনশন কর্মসূচি পালন করে। এই তিনদিনের কর্মসূচির কোনোটিতেই জামায়াতের নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। অন্যান্য সময়, বিশেষ করে হেফাজতের বিক্ষোভগুলোয় জামায়াত-শিবিরের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অনেক নেতাকে দেখা গেলেও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আয়োজিত বিএনপির ডাকা কোনও কর্মসূচিতেই দলটির কাউকে দেখা যায়নি।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি শেষে কথা হয় জোটের শরিক দল বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আজকে (১৪ ফেব্রুয়ারি) আমার আশেপাশে জামায়াতের কাউকে দেখি নাই। গত তিনটি প্রোগ্রামেও তাদের কাউকে দেখা যায়নি।’
সাধারণত জামায়াতের সাধারণ কর্মীরা বিএনপির কর্মসূচিতে মাঝেমাঝে অংশ নিলেও খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটলো চোখে পড়ার মতো। এ নিয়ে বিএনপি নেতারা কোনও মন্তব্য করতে না চাইলেও জোট নেতারা বলছেন, এটা বিস্ময়ের ব্যাপার যে, জামায়াত একেবারেই নেই।
একটি শরিক দলের চেয়ারম্যানে ভাষ্য, ‘বিএনপিও