আওয়ার ইসলাম
অনাকাঙ্ক্ষিত ফোন কলের যন্ত্রণায় ভুগছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতাদের হুমকি-ধমকিসহ অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে যাচ্ছেন কে বা কারা, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফোনে শুধু নেতাদেরই নয়, তাদের মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানদের জড়িয়েও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। বিশেষ করে এসব অযাচিত ফোন কল রাতের বেলাই বেশি আসে। বেশ কিছুদিন ধরে আসা ফোন কলের যন্ত্রণায় বিব্রত আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনাকাঙ্ক্ষিত ফোনের বিষয়ে অবহিত করা হলেও নেতারা এখন আর তা করছেন না।
হুমকি-ধমকি পাওয়া এই নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে যেদিনই রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে বা টকশো-তে বক্তব্য রাখেন, সেদিন এসব ফোন যন্ত্রণায় বেশি ভুগতে হয় নেতাদের।
ফোনে হুমকি ও গালিগালাজের শিকার হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ। অন্য নেতারাও কালে-ভদ্রে যন্ত্রণাদায়ক ফোন কল পেয়ে থাকেন বলে জানা গেছে। তবে উল্লিখিত নেতারাই বেশি ফোন পান।
যোগাযোগ করা হলে এসব নেতা বলেন, আগে বিব্রত হতাম, এখন বিষয়টি সয়ে গেছে। কারণ, জানি এদেরকে থামানো যাবে না। অপেক্ষায় আছি, কখন তাদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে, তারা নিজে থেকেই ফোন দেওয়া বন্ধ করে। জানা গেছে, বিশ মিনিট, আধা ঘণ্টা পর্যন্ত এসব ফোনালাপ চলে।
ঘটনার শিকার নেতারা জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও বিষয়টি অবহিত করেছেন তারা।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ ফোন যন্ত্রণার কথা স্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেকদিন ধরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন আসছে। রিসিভ করার সঙ্গে সঙ্গে শুনতে হয় অশ্লীল গালাগাল। হুমকি-ধমকিও আসে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির দুর্নীতি-দুঃশাসনের সমালোচনা করে যেদিন বক্তব্য রাখি, সেদিনই এসব ফোন আসে। গালিগালাজ শুনতে হয়।’ রাত দুপুরেই এসব ফোন বেশি আসে বলেও জানান তিনি। হানিফ বলেন, ‘জিরো জিরো জিরো অথবা ওয়ান ওয়ান ওয়ান এমন সব নম্বর থেকে ফোনগুলো বেশি পাই। এমন à