বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ

পাকিস্তান-চীন সীমান্তে ১৪ কি.মি. দীর্ঘ সুড়ঙ্গ নির্মাণ করবে ভারত; উদ্বেগে বেইজিং

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠীগুলিকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে একটি সুড়ঙ্গ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে  ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

জম্মু-কাশ্মীর অঞ্চলের জোজিলা গিরিপথে এই সুড়ঙ্গ সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রায় ৯৫ কোটি ১০ লক্ষ ডলার ব্যয়ে এই সুড়ঙ্গপথ নির্মিত হবে। এটা হতে চলেছে এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ দ্বিমুখী সুড়ঙ্গ সড়ক। দুর্গম এলাকা হওয়ার কারণে এটি নির্মাণে সাত বছর সময় লাগবে।

এর অধিকাংশ এলাকায় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নীচে থাকে। এই সুড়ঙ্গপথ শ্রীনগর থেকে লে পর্যন্ত পথের দূরত্ব একধাক্কায় অনেকটাই কমে যাবে। তুষারপাত ও তুষারধসের আশঙ্কায় এই পথ বছরের ছয় মাস বন্ধ থাকে। গাজানিনের সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ জেড-মোরাহ সুড়ঙ্গসহ অন্যান্য প্রকল্প কাশ্মীর ও লাদাখ অঞ্চলে নিরাপদ, দ্রুত ও সস্তায় যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।

জোজিলা টানেল প্রকল্পে থাকবে ১৪.১৫ কিমি দৈর্ঘ্যের দুটি বিপরীতমুখী সিঙ্গেল টিউব টানেল। এর সমান্তরালে ১৪.২ কিমি প্রস্থান টানেল থাকবে। পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীরের বালতাল ও মিনামার্গ-এর মধ্যে অ্যাপ্রোচ পথ থাকবে।

এই পথ সারা বছর মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে পাবর্ত্য জনপদগুলির সংযোগ রক্ষা ছাড়াও চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক রসদ পাঠানোর কাজ সহজ করবে। বিরূপ আবহাওয়া ও প্রবল তুষারপাতের কারণে বছরের ছ’মাস ওই অঞ্চলের পথঘাট যান চলাচলের অনুপযোগী থাকে। ফলে কার্গিল সেক্টরের মতো উত্তেজনাপ্রবণ এলাকাতেও সেনাবাহিনীর রসদ পাঠানো নিয়ে ভারতকে সবসময় চিন্তায় থাকতে হয়।

তাছাড়া এই এলাকায় প্রায়ই অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে এবং অতীতে এখানে যুদ্ধও হয়েছে। লাদাখ, গিলগিট ও বাল্টিস্তান অঞ্চলে পাকিস্তান ও চীনের ব্যাপক কৌশলগত তৎপরতার মুখে এই সুড়ঙ্গপথের বড় রকমের কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। এই অঞ্চলে ভারতের দুর্বল পরিকাঠামোর কারণে ১৯৯৯ সালের শীতে দ্রাস ও বাটালিক হিল এলাকায় পাকিস্তানী সেনারা প্রবেশ করে।

এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ