আতাউর রহমান খসরু: টঙ্গী ইজতেমায় মাওলানা সাদ কান্ধলভি অংশগ্রহণ করবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিলো দীর্ঘদিন। অবশেষে উলামায়ে কেরাম ও তাবলিগের শুরা সদস্যগণ দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত দেন এবারের ইজতেমায় তার অংশগ্রহণ না করাই মঙ্গলকর হবে।
বোরবার জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ীতে তাবলিগ জামাতের শুরু সদস্য, আলেম উপদেষ্টা ও ভারত সফরকারী প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত সরকারকে হস্তান্তরও করা হয়েছে।
তবে মাওলানা সাদের ইজতেমায় আসাকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। সাথে সাথে বিভ্রান্তিকর নানা বিষয় উঠে আসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
বিশেষত ফেসবুক ও হোয়াটস অ্যাপে ঘুরছে নানা দেশের চিঠি। যার কোনোটি কাকরাইলের শুরার নামে লিখিত আবার কোনোটি বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামে লেখা। কোনোটিতে মাওলানা সাদ কান্ধলভির ইজতেমায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে আবার কোনোটিতে বিরোধিতা করা হয়েছে।
কোনো নিরপেক্ষ সূত্র থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো এসব চিঠির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয় নি।
আওয়ার ইসলামের হাতে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো ৫ দেশের ৬টি চিঠি এসেছে। দেশগুলো হলো, আমেরিকা, কানাডা, সাউথ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। এর মধ্যে মালয়েশিয়া শুরার নামে পরস্পর বিরোধী দুটি চিঠি পাওয়া গেছে।
ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার শুরার সিল অংকিত ও জিতজিপ ফেরদাউস স্বাক্ষরিত চিঠিতে আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এরপর টঙ্গী ইজতেমার গুরুত্ব বর্ণনা করে বলা হয়েছে, বিশ্ব ইজতেমা আল্লাহর অনুগ্রহে ইসলামের প্রচার ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছে এবং তা পরিণত হয়েছে নিজামুদ্দিনের মুরব্বিদের পথনির্দেশনার কারণে।
৮ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘকাল যাবৎ প্রশ্নাতীতভাবে মাওলানা সাদের নেতৃত্ব আল্লাহর দরবারে তার গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।
চিঠির শেষে বলা হয়, আমরা চাই অতীতের মতো ইজতেমা নিজামুদ্দিনের নির্দেশনায় পরিচালিত হোকà¥