বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

একজন ভিক্ষুক খুঁজে দিলেই মিলবে ৫০০ টাকা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভিক্ষাজীবী-মুক্ত হায়দরাবাদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে অভিনব এক পদক্ষেপ করেছে ভারতের তেলঙ্গানা কারা দফতর। ওই দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, হায়দরাবাদের রাস্তায় কাউকে ভিক্ষাজীবী হিসাবে শনাক্ত করে কারা দফতরকে খবর দিলেই হাতে পেয়ে যাবেন ৫০০ টাকা।

পুরস্কার প্রদানের এই খবরটি জানিয়েছেন খোদ তেলেঙ্গনা কারা দফতরের ডিজি ভি কে সিংহ।

তিনি আরও জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই তাঁরা ‘বিদ্যাদানম’ নামক একটি প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন, যে প্রকল্পটি পুরোদস্তুর ভিক্ষাজীবী মানুষদের স্বার্থে। ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষা প্রদানের জন্যই ‘বিদ্যাদানম’ প্রকল্পটির সূচনা হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন ভি কে সিংহ।

গ্রেটার হায়দরাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং পুলিশি সহায়তায় এখনও অবধি হায়দরাবাদের রাস্তা থেকে ৭১১ জন পুরুষ এবং ৩১১ জন মহিলা ভিক্ষুককে উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে ৪৭৬ জন পুরুষ এবং ২৪১ মহিলা ভিক্ষুককে ভিক্ষা না করার শর্ত দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর ২৬৫ জন পুরুষ, ৭০ জন মহিলা এবং ২ জন শিশু ভিক্ষুককে আনন্দ আশ্রমে পাঠানো হয়েছে।

কারা দফতরের ডিজি ভি কে সিংহ বলছেন,‘‘খুব শীঘ্রই আমরা ভিক্ষাজীবী মানুষদের এক ছাদের তলায় আনতে চেষ্টা করছি। তাদের জন্য শীঘ্রই একটি জায়গার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যেখানে ওরা ওদের পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারবে।

আমাদের লক্ষ্য দুটো। এক, ভিক্ষুকদের জীবনটা স্বাস্থ্যকর গড়ে তোলা আর দুই, রাস্তায় যেন কোনও মানুষকে আর থাকতে না দেখা যায় সেদিকটাও তাকিয়ে দেখা।’’

তিনি সঙ্গে আরও যোগ করেছেন, ‘‘কর্মদক্ষ ভিক্ষুকদের জন্য ছ়’টি পেট্রোল পাম্প এবং ছ’টি নতুন গ্রাম গড়ে তোলা হয়েছে। আর যারা এখনও সেভাবে কাজ করতে সক্ষম নন, আনন্দ আশ্রমে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’’

এবিপি

এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ