বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


বছরের বিদায়ের দিনে মুসলমানদের কী করণীয়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ২৫ ডিসেম্বর সোমবার জামালুল কুরআন মাদরাসা, গেন্ডারিয়া, ঢাকার তাকমিল জামাতের ছাত্রদের আয়োজনে ‘থার্টি ফাষ্ট নাইট : আমাদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার’ অনুষ্ঠিত হয়।

জামালুল কুরআন মাদরাসার মুহতামিম-আরেফ বিল্লাহ হাকিম মুহাম্মদ আখতার রাহিমাহুল্লাহ-এর খলিফা মাওলানা ইমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে সূত্রাপুর এলাকার বিভিন্ন মাদরাসার মুহাদ্দিস, মুফতি, শিক্ষক-ছাত্র ও মসজিদের খতিব-ইমামগণ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মুফতি মুহাম্মদ আমিমুল ইহসান।

প্রবন্ধের ওপর আলোচনা পেশ করেন ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা নজরুল ইসলাম, মুফতি মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবু বকর, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল আলিম, মাওলানা নোমান, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা ইকবাল প্রমুখ।

সেমিনারে সামাজিক অনাচার দূর করতে ইমাম ও খতিবদের আরো সচেতন ভূমিকা পালন করার জন্য গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পঠিত প্রবন্ধটি আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

অপ-সংস্কৃতির ছোবল: বছরের বিদায় বেলায় একজন মুসলমানের অনুভূতি

আজ ২০১৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোমবার। একটি বছরের প্রায় সমাপ্তি এবং আরেকটি বছরের সূচনালগ্ন। একটি বছরের শেষ দিকে দাঁড়িয়ে একজন ঈমানদার, আল্লাহ প্রেমিক বান্দার অনুভীতি কী হওয়া দরকার?

পবিত্র কুরআন এবং সুন্নাহর আলোকে আমরা বিষয়টি আলোচনা করতে চাই। প্রত্যহ যখন দিন আর রাত অতিবাহিত হয়, একটি বছর সমাপ্ত হয় তখন মুসলমানদের অনুভূতি কি আনন্দের না বেদনার, না চিন্তার?

একজন আরবি কবি বিষয়টি তার একটি পংক্তিতে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আরবি ব্যাকরণের বিখ্যাত কিতাব যা সব প্রতিষ্ঠানে পাঠ্য পুস্তক হিসেবে স্বীকৃত “হেদায়েতুন্নাহু”তে একটি উদাহরণ হিসেবে কবিতাটি পেশ করা হয়েছে। আরব কবি তার কবিতায় বলেন-

يسر الناس ما ذهب الليالى
وكان ذهابهن له ذهابا

মানুষকে আনন্দিত করে দিনের পর দিন ও রাতের পর রাতের আগমন। একটি রাতের প্রান্তে দাঁড়িয়ে একজন মানুষ আনন্দিত হয়, নতুন একটি ভোর আসবে, নতুন একটি প্রভাতে সূর্য ঊদিত হবে। নতুন সুর্যোদয়কে দেখার জন্য মানুষ আনন্দচিত্তে অপেক্ষা করে।

কিন্তু কবি বলেন, আমার অনুভূতি একট