বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

আজমির দরগাও নাকি হিন্দু মন্দির; দাবি উগ্র হিন্দুবাদীদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এবার ভারতের আজমিরে অবস্থিত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী রহ.-এর ঐতিহাসিক দরগাহকে 'হিন্দু মন্দির' বলে দাবি করল উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে দেশটিতে। খবর পার্সটুডের

'শিবসেনা হিন্দুস্তান' নামে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি খাজা গরীব নওয়াজের দরগাহকে মন্দির দাবি করা হয়। ওই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সেখানে কড়া পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটি এক বিবৃতিতে দরগাহ ভেঙে ফেলে সেখানে মন্দির তৈরি করা উচিত বলে মন্তব্য করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত এক ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

ওই ঘটনার পরে দরগাহের খাদেম ও সেখানকার ব্যবসায়ীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শিবসেনা হিন্দুস্তান সংগঠনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে।

ভারতের আজমীর শরীফে অবস্থিত খাজা গরীব নওয়াজের দরগাহ গত আটশ’ বছর ধরে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকলের কাছেই শ্রদ্ধার স্থান বলে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে দারুল উলুম রশিদিয়ার মুহতামিম মাওলানা মাসরুর আহমদ কাসেমি বলেন, ‘হাজার বছরের পুরোনো আজমীর শরীফ দরগাহ সম্পর্কে এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এই প্রথম এ ধরণের দাবি করেছে। এর আগে তাজমহল সম্পর্কেও তারা এরকম দাবি করেছিল যে, সেখানে মন্দির আছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আমাদের আবেদন, যেন এ ধরণের সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং তাদের নিষিদ্ধ করা হয়।’

জামিয়ুল মা’রিফ দেওবন্দের চেয়ারম্যান মুফতি আহমদ বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সকলের সঙ্গে সবার উন্নয়নের কথা বলে সরকার গঠন করেছেন। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের এবং আমাদের মুসলিম সংস্থার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে দিচ্ছে এবং তা ভেঙে ফেলার হুমকি দিচ্ছে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি যে, এ ধরণের সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হোক।'

এদিকে, ওই ঘটনার পরে দরগাহ কমিটির আবেদনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করাসহ সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুলিশ এ ব্যাপারে বিতর্কিত ভিডিওসহ একটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

মন্দিরে ঘুরলেও কেন মসজিদ বা দরগায় যাচ্ছেন না রাহুল?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ