মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

‘আমরা তরুণদের হাতে সাহিত্যের উত্তরাধিকার তুলে দিতে পেরেছি’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন। ইসলামি ধারার অন্যতম চিন্তাশীল লেখক। লিখছেন প্রায় তিন দশক ধরে। লেখক, অনুবাদক ও কথাশিল্পী হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় এ আলেমের খ্যাতি এখন ছড়িয়ে পড়েছে বহিরাঙ্গণেও।

ভাষা, সাহিত্য ও সমকাল নিয়ে তার দীর্ঘ অধ্যয়ন, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতা তাকে সাহিত্য নিয়ে কথা বলার সার্বভৌম অধিকার দিয়েছে বলে মনে করেন সমালোচকরা।

সম্প্রতি আওয়ার ইসলামে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে লেখক যাইনুল আবিদীন কথা বলেছেন, তারুণ্যের জাগরণ, লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চা নিয়ে। তিনি তার সাক্ষাৎকারে সময়ের একটি নিখুঁত মানচিত্র এঁকে চিহ্নিত করতে চেয়েছেন তারুণ্যের পথরেখা। সাথে সাথে তিনি উত্তর দিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের অনেক প্রশ্নের। তুলে ধরেছেন তরুণদের জন্য প্রবীণদের উত্তরাধিকারও।

নন্দিত আলেম লেখক ও কথাশিল্পীর সঙ্গে আলাপচারিতায় ছিলেন আওয়ার ইসলামের বার্তা সম্পদক আতাউর রহমান খসরু।

আওয়ার ইসলাম : বর্তমানে তরুণ প্রজন্ম নিখাঁদ সাহিত্য বলতে যা বোঝায়; যেখানে ধর্মের আশ্রয়টা নেই সেদিকে ঝুঁকছে। বিশেষত বইমেলাকেন্দ্রিক তাদের মাঝে এক প্রকার উদ্দীপনা কাজ করে।আপনি এটাকে কিভাবে মূল্যায়ন করছেন?

মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন : সাহিত্য মূলত মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। পরিশিলিত রুচিজাত ও রুচিশীল মানুষের আবেগের অংশ। আপনার প্রশ্নে তরুণদের যে বিষয়টা এসেছে, এখানে একটা কথা মনে রাখা সমীচীন। আমরা যে ঘরানার লেখক বা তরুণদের  নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি সে অঙ্গণটা  দুই তিন দশক আগেও সাহিত্য লেখালেখি বিষয়ে শুধু বিমুখ ছিল বললেই কথা শেষ হবে না; বলা যায় বিরোধী ছিলেন।

আর এটা একটা স্বাভাবিক ও স্বভাবজাত বিষয়, যখন কোন মানুষ কোনো বিষয়ের বিরোধী হয়। এবং পরবর্তীতে সে বিষয়ের জানালা দরজা খুলে দেয়া হলে বিরোধকারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

বর্তমান তরুণ প্রজন্ম ধর্মহীন সাহিত্য; বরং বলতে হয় ধর্ম বিরোধী সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিপরীতমুখী যে সাহিত্য সেই সাহিত্যের দিকে ঝুঁকছে। এটা এমন না যে আমাদের ঘরানার তরুণরা নতুন একটা জায়গা আবিষ্কার করে সেখানে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাদের দাঁড়ানোর স্থানটা অন্যদের তৈরি।

তারা এখন যেখানে নামছে,  দীর্ঘকাল ধরে বহমান একটা স্রোত ধারা সেখানে বয়ে চলছে। তারা বিচার করছে না,  এখানে নামার মধ্যে কী স্বার্থকতা আছে আমার জন্য? কি অà