মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে মাসনা মাদরাসার বার্ষিক দ্বীনি মাহফিল গ্রিড বিপর্যয়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ বিশ্ববাজারে তেলের দামে পতন, কমলো কত? জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ শেষ হচ্ছে আজ হাফেজ মাওলানা যুবায়ের আহমদ আনছারী রহ.: বর্ণাঢ্য জীবন, কর্ম ও সাধনা (পর্ব: ৪) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় গণহত্যা অব্যাহত: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন জাপানে আজ শীর্ষ বৈঠক, হতে পারে ৮ সমঝোতা সব সময় অজু অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের সুসংবাদ

নিজের ছেলেকে পুলিশে দিলেন স্বপ্না বেগম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় একজন নিরপরাধ অটোরিকশা চালককে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর দায়ে নিজের ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন এক মা।

সোমবার সকালে সুনামগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষের কার্যালয়ে এসে ছেলে সালমান ইসলামকে সোপর্দ করেন মা স্বপ্না বেগম। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

সালমানের বাড়ি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পৈন্দা গ্রামে। গত আগস্ট মাসে সুনামগঞ্জ সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

এ সময় স্বপ্না বেগম অশ্রুসজল কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ একজন মানুষকে ফাঁসিয়েছে। তাই নিজেই ছেলেকে পুলিশে সোপর্দ করতে এসেছি।

পুলিশ ও বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট সুনামগঞ্জ শহরের একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে জগন্নাথপুর উপজেলার পূর্ব বুধারাইল গ্রামের অটোরিকশা চালক নূর মিয়াকে (৩৮) লোহার তৈরি একটি পাইপগানসহ আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় নূর মিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে অটোরিকশা চালক নূর মিয়া নির্দোষ। তাকে গ্রাম্য বিরোধের কারণে ফাঁসানো হয়েছে। ওই মামলায় এক মাস ১১ দিন কারাভোগের পর ছাড়া পান তিনি।

পুলিশ জানায়, গ্রাম্য বিরোধের কারণে নূর মিয়া এবং তার দুই চাচাতো ভাই আকবুল মিয়া ও সুমিম মিয়াকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী কয়েছ মিয়া (৩৫)।

এতে জড়িত ছিলেন গ্রামের আনিছুর রহমান ও সালমান ইসলাম। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নূর মিয়ার অটোরিকশায় পাইপগান রেখে পরিকল্পিতভাবে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে ভিন্ন ঘটনা।

পুলিশের তদন্তে ঘটনাটি বেরিয়ে আসার পর নিজেদের জালে নিজেরাই ফেঁসে যান যড়যন্ত্রকারীরা। অস্ত্র মামলায় উল্টো আসামি হন কয়েছ মিয়া, আনিছুর রহমান ও সালমান ইসলাম।

তাদের মধ্যে কয়েছ মিয়াকে ২৯ অক্টোবর সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জামিনে আছেন অপর আসামি আনিছুর রহমান।

মা কর্তৃক পুলিশে সোপর্দ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় সালমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ভুল করেছি। আমার আম্মা ফোনে আমাকে বুঝিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা বলেন। আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। আমার মায়ের কথা মেনে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছি।’

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ