মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

আদিল্লাতুল কারী: দলিলভিত্তিক ফিকহ চর্চার অনবদ্য গ্রন্থ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ আল মাসুদ

বিশ্বব্যাপী ইসলামি আইন শাস্ত্রের প্রসিদ্ধ যে চারটি ধারা রয়েছে তার মধ্যে ফিকহে হানাফি অন্যতম। এটি বর্তমান বিশ্বে সবচে বেশি মানুষের অনুসরণীয় ফিকহ। এই ফিকহের আলোকেই প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনের বিধিবিধান পালন করে আসছে।

ফিকহে হানাফির আলোকে রচিত ইসলামি আইন শাস্ত্রের অনেক গ্রন্থ রয়েছে। এগুলো আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে। দলিলভিত্তিক ফিকহগ্রন্থ ও দলিলহীন ফিকহগ্রন্থ। ফিকহগ্রন্থ রচনার এই দুটি ধারা প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।

ফিকহে হানাফির দলিলহীন অর্থাৎ সংক্ষিপ্ত যেসব গ্রন্থ যুগ যুগ ধরে পঠন-পাঠনের গৌরব অর্জন করেছে তার মধ্যে ‘মুখতাসারুল কুদুরি’ অন্যতম। একে সংক্ষেপে ‘আল-কিতাব’ও বলা হয়। ফিকহে হানাফির কোনও গ্রন্থে সাধারণভাবে ‘আল-কিতাব’ বলতে এই বইটিকেই বোঝানো হয়ে থাকে। বিষয়টি থেকেই গ্রন্থটির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

অতি সম্প্রতি যাত্রাবাড়ি জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া মাদরাসার উলুমুল হাদীস বিভাগের ছাত্রদের গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে মুখতাসারুল কুদুরির দলিলসমৃদ্ধ একটি গ্রন্থ ।

‘আদিল্লাতুল ক্বারী আলা মুখতাসারিল কুদুরী’। গ্রন্থটিতে ছাত্ররা শাইখুল হাদীস আল্লামা মাহমুদুল হাসান এর দিকনির্দেশনায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রতিটি মাসআলার সঙ্গে দলিল সংযুক্ত করেছেন। যা অত্যন্ত মূল্যবান ও দীর্ঘদিনের প্রয়োজন অনুভূত হওয়া একটি কাঙ্খিত খেদমত।

সংক্ষেপে বইটির কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা পাঠকদের জন্য তুলে দিচ্ছি

এক. বইটিতে প্রধান যে কাজটি করা হয়েছে তা হলো, প্রতিটি মাসআলার সঙ্গে দলিল সংযুক্ত করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটা অনেক শ্রমসাধ্য একটি খেদমত। প্রতিটি দলিলকে তার সূত্রসহ উপস্থাপন করা হয়েছে। যাতে করে চাইলেই একজন অনুসন্ধিৎসু পাঠক মূল উৎসগ্রন্থ থেকে দলিলটি মিলিয়ে দেখতে পারেন।

দুই. দলিল প্রদানের ক্ষেত্রে এর গ্রহণযোগ্যতার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ দলিল এড়িয়ে শক্তিশালী ও আপত্তিমুক্ত দলিল উপস্থাপনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথমেই লক্ষ্য রাখা হয়েছে কুরআন-সুন্নাহ ও আসারের মাধ্যমে দলিল পেশ করার জন্য। যদি তা না পাওয়া যায় তখনই কেবল যুক্তিভিত্তিক দলিলের আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছে।

তিন. হাদীস উপস্থাপনার ক্ষেত্রে তার শুদ্