সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ রোহিঙ্গাদেরকে তাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ দিতে ফ্রান্সের সহযোগিতা চেয়েছেন। ফ্রান্সের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত সোফেই অবার্ট আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এম জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রপতিকে উদ্ধৃত করে বলেন, বাংলাদেশ জনবহুল দেশ হলেও মানবিক কারণে রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে। আমি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে আপনার (ফ্রান্স) দেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।

দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ককে চমৎকার উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনগুলোতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরো জোরদার হবে। রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের অবদান ও স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে রাষ্ট্রদূতকে সফলভাবে তার দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জানান।

ফ্রান্সকে পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিগত ২ বছরে পারস্পরিক সমঝোতা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীদ্বয়ের সফর বিনিময়ে দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো সম্প্রসারিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে ২০১৭ সালে ৩১ অক্টোবর প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সম্পর্ক নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে।

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত তার দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহায়তার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অবার্ট বলেন, আগামীতে দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক এবং বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। রাষ্ট্রপতির সচিববৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।বাসস।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ