সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

বন্যার্তদের সহায়তায় আদীব হুজুরের মাদরাসার কাফেলা এখন দিনাজপুরে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মাদ শোয়াইব : বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এবার এগিয়ে এলো সময়ের জীবন্ত কিংবদন্তী হজরত মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ দা.বা. (আদীব হুজুর) এর মাদরাসাতুল মদীনা। গতকাল সোমবার (০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭) মাদরাসাতুল মদীনার উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেল একটি কাফেলা। আদীব হুজুর নিজে এই কাফেলাকে গাজীপুর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এসেছেন। সবকিছুর আয়োজনও করে দিয়েছেন তিনি নিজে। আজ সন্ধ্যার আগ থেকে কাফেলাটি দিনাজপুরে অবস্থান করছে। আজ দিনব্যাপী চলবে দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম। বন্যাদুর্গত 1000 পরিবারকে সহযোগিতা পৌঁছে দেবেন তারা।

কাফেলায় রয়েছেন হজরত আদীব হুজুরের ছাহেবযাদা মাওলানা মুহাম্মাদ, মাদরাসাতুল মাদীনার শিক্ষক মাওলানা ফাইরুজ আহমদ, মাওলানা জাহিদ, বিশিষ্ট ক্যালিগ্রাফি শিল্পী মাওলানা বশির মেসবাহ ও মাওলানা হাসান মেসবাহসহ প্রায় 11 জন আলেমেদীন।

যে কোনো সংকট ও দুর্য়োগে দেশের ওলামায়ে কেরাম অগ্রণী ও প্রশংনীয় ভূমিকা পালন করে থাকেন একদম নীরবে নিঃশব্দে । সেই ধারাবাহিকতায় দেশের অনেক মাদরাসার উদ্যোগেই বন্যার্ত সাধারণ মানুষের এই দুঃসময়ে আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের প্রতি মানবিকতার হাতকে প্রসারিত করা হয়েছে। নিজেদের উদ্যোগের পাশাপাশি বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আসছেন তারা। পাশাপাশি তাদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারকেও সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।

যাদের জমিজমা চলে গেছে, ঘরবাড়ি চলে গেছে, তাদের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেওয়া, তাদের আবার পুনর্বাসন করা এবং পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে তারা যেন চাষাবাদ করতে পারেন সে ব্যবস্থা করাসহ সব ধরনের উদ্যোগ নিয়ে তাদের পাশে থাকা সমাজের বিত্তবানদেরই ঈমানি দায়িত্ব।

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ