মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

হবিগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১২

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হবিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার মামলায় আটজনের মৃত্যুদণ্ড ও ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীন বুধবার বিকেলে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সুধাংশু সেন, সুভাষ সেন, এরশাদ, আব্দুল মালেক মালু, আব্দুর রহমান, আবুল কাশেম, আবু লাল ও মোশাররফ হোসেন। এ মামলায় যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন— হরমুজ আলী, মোস্তাক, সানু, জাবেদ, জহির, বকুল, আমির হোসেন, জহিরুল ইসলাম, দুলাল, কামাল, ছায়েদ ও ঝানু। তারা মাধবপুর উপজেলার গাংগাইল গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, একই গ্রামের ব্যবসায়ী রিদওয়ানুল মহসীন টিপুর সাথে সুধাংশু সেনের জমির পানি নিষ্কাশন ও সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে তাদের বিভিন্ন সময় ঝগড়া বিবাদ হয়। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি গভীর রাতে আসামিরা তার বাড়িতে হামলা চালায়। খুনিরা টিপুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। এ সময় তারা বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের মারপিট করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত টিপুর স্ত্রী হাসিনা আক্তার বেবি বাদী হয়ে ৯ জানুয়ারি মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও রেকর্ড পর্যালোচনার পর বিচারক উল্লেখিত দণ্ডাদেশ দেন। এছাড়া মামলার ৩ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

মামলা চলাকালে আসামি হিমাংশু মারা যায়। রায় ঘোষণাকালে আদালতে আসামি সুধাংশু সেন, তার ভাই সুভাষ সেন, আব্দুল মালেক ওরফে মালু, আবু ছায়েদ ও খালাস প্রাপ্ত নূরুল গণি শাহ ওরফে ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মো. লুত্ফুর রহমান।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ