মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

ইয়াবা ঠেকাতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক আজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভয়ঙ্কর নেশা ইয়াবার উৎপাদন ও পাচার বন্ধে বৈঠক করবে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। মিয়ানমারের রাজধানী নেপিয়াদোতে সেন্ট্রাল কমিটি ফর ড্রাগ অ্যাবিউজ কন্ট্রোলের (সিসিডিএসি) সঙ্গে বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের (ডিএনসি) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

গত শনিবার ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের দল মিয়ানমারে পৌঁছেছে। বৈঠকটি নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। বৈঠকের তারিখ বারবার পরিবর্তন করা হচ্ছিল।

ডিএনসির পরিচালক (অপারেশনস ও গোয়েন্দা) ডিআইজি সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন ডিএনসির মহাপরিচালক। ২০ আগস্ট অনুষ্ঠেয় ঐ বৈঠকে ইয়াবা বন্ধের বিষয়টি থাকবে মূল এজেন্ডায়।

তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে ইয়াবার প্রধান কাঁচামাল (সুডোইফিড্রিন) সরবরাহ বন্ধের প্রস্তাব নীতিগতভাবে চূড়ান্ত হয়েছে। এখন ইয়াবা উত্পাদন ও পাচার বন্ধের ব্যাপারে জোর দাবি জানানো হবে। এ ব্যাপারে মিয়ানমারও অনানুষ্ঠানিকভাবে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারাও এখন চায় ইয়াবা বন্ধ হোক। মিয়ানমার কয়েক মাস ধরেই বৈঠকের জন্য আগ্রহ দেখিয়ে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে।

সূত্র মতে, ইয়াবা ও ইয়াবার কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধে ইয়াঙ্গুনের সর্বাত্মক সহায়তা চাইবে ঢাকা। ইয়াবা তৈরির কারখানার তালিকা, পাচারের রুটের বর্ণনা, ইয়াবা বন্ধে করণীয় বা পরামর্শ এবং ইয়াবা কারবারে দুই দেশের ক্ষতির চিত্রসহ কিছু তথ্য-প্রমাণ নিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার প্রতিনিধিরা।

ইয়াবা প্রতিরোধে দুই দেশের যৌথ উদ্যাগে কাজ করার প্রস্তাবও রাখবেন তারা। রীতি অনুযায়ী বৈঠক শেষে যৌথ ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের কথা রয়েছে। সেখানে প্রস্তাবগুলো সংযুক্ত করে মিয়ানমারকে রাজি করাই প্রধান উদ্দেশ্য। কারণ ২০১৫ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইয়াবা কারখানা বন্ধের প্রস্তাব থাকায় যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেনি মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ