মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

আবারও সাগরে ভাসছে রোহিঙ্গা নৌকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : মিয়ানমারে রোহিঙ্গা এলাকায় আমার শুরু হয়েছে সেনা অভিযান। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ঘর-বাড়ি ছাড়ছে মিয়ানমারের মুসলিমরা। কেউ কেউ প্রতিবেশী বাংলাদেশে প্রবেশেরও চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সতর্ক পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ।

আজ শনিবার ভোরে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে টেকনাফে ঢোকার সময় একটি নৌকাকে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সে দেশের সেনা-সমাবেশের কয়েক দিন পর শনিবার ভোরে নৌকাটি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে।

টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ স্টেশনের কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এস এম কবির হোসেন বলেন, 'নৌকাসহ মিয়ানমারের ৩১ রোহিঙ্গাকে নাফ নদী দিয়ে অনুপ্রবেশ চেষ্টাকালে ফেরত পাঠানো হয়েছে। '

কোস্ট গার্ড কর্মকর্তারা জানান নৌকাটিতে ৯ জন নারী ও ২২ জন পুরুষ ছিলেন বলে।  এ বিষয়ে কবির হোসেন বলেছেন, কোস্ট গার্ড টহল জোরদারের পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে।

ধর্ষিতা হয়েও স্বামীগৃহ হারাচ্ছেন রোহিঙ্গা নারীরা

গত মঙ্গলবার বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলাম বলেছিলেন, 'মিয়ানমার রাখাইন প্রদেশের সীমান্তের মংডু, বুচিডং ও রাচিডংসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় কিছুদিন ধরে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে।  রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশসহ যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে আমরাও ফোর্স বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্তে নিরবচ্ছিন্ন টহল ও নজরদারি জোরদার করেছি। '

গত বছর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অভিযান ও রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার পর বহু রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আসে। সম্প্রতি আবার তাদের অনুপ্রবেশ শুরু হয়েছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ