হামিম আরিফ: তরুণ ফেসবুক সেলিব্রেটি আহসান হাবিব পেয়ারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো। তার ভক্তরা বিষয়টি কোনোভাবেই মানতে পারছেন না। যে কারণে তারা তীব্র মন্তব্য করছেন ফেসবুকে।
গতকাল আওয়ার ইসলাম তাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন করার পর সেখানেও তার ভক্তরা নানাভাবে কটাক্ষ করেছেন। এদের অনেকেই মারমুখী ভঙ্গিতে উগ্র মতামতও ব্যক্ত করেন। আর তাদের মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে পেয়ারের প্রতারণার ফিরিস্তিও তুলে ধরছেন অনেকে। ফলে বিষয়গুলো ধীরে ধীরেই তিক্ততার দিকে যাচ্ছে।
আহসান হাবিব পেয়ারের সঙ্গে কাজ করা অনেকের সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে কথা হলে তারা জানান, তার অনেক কাজই মানুষের কল্যাণে নিবেদিত ছিল। কিন্তু এসবের সঙ্গে তারও আয় উপার্জনের বিষয়টিও জরিত ছিল।
তাদের মত, আহসান হাবিব কোনো চাকরি না করলেও তার চলাফেরা দেখে বুঝার উপায় থাকে না সে কেমন। তাই পেয়ারের ব্যাপারে আপাত মন্তব্য না করে চুপ থাকাটাই ভালো।
ফেসবুকে তার পক্ষে বিপক্ষে দুই ধরনের মতামতই পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই তার গ্রেফতারে প্রশাসনকে দোষারোপ করছেন। তবে বিশিষ্টজনদের পরামর্শ- এ বিষয়ে মন্তব্যে সচেতনতা অবলম্বন করা।
রেডিও ও টিভি উপস্থাপক মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান লিখেন, পেয়ারের সঙ্গে প্রথম পরিচয় কোন একটি এফ এম এ।এরপর তেমন আর কথা বলি নাই উনার কিছু ত্রুটি দৃশ্যমান হওয়ায়। উনার কাছে হিন্দু আর মুসলিম জিন আছে উনি অনেক আগেই আমাকে বলেছিলেন তার বাসায় রাতে গেলে তিনি দেখাতে পারবেন।কিন্তু আমার যাবার সুযোগ হয়নি দেখিওনি। শুধু বলবো যারা মিডিয়ায় কাজ করছেন ফেমাস হবার জন্যে সত্যিই তারা কপাল পোড়া। পেয়ারের ব্যাপারে বলতে চাই যদি সত্যিই সে দোষী হয় তার বিচার চাই আর যদি নিরপরাধ হন তবে আল্লাহ যেন হেফাজত করেন। তবে নারী কেন্দ্রীক বিষয় গুলি বিশ্বাস করতে পারছি না। আল্লাহ ভালো জানেন।
লেখক ও ছাত্র নেতা ওয়ালি উল্লাহ আরমান পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন, অনুমান নির্ভর কিংবা অন্ধ বিদ্বেষী পোস্ট/মন্তব্য থেকে বিরত থাকি৷ মানুষ কখন যে শয়তানের প্ররোচণায় চরমতম ভুল করে ফেলà§