বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরেও সুদের হার কমায়নি ১৩ ব্যাংক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পরেও সুদের হার কমায়ন বেসরকারি খাতের দেশি-বিদেশি ১৩টি ব্যাংক। আমানত ও ঋণের সুদ হারের ব্যবধান (স্প্রেড) ৫ শতাংশের নিচে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা থাকলেও অনেক ব্যাংকই তা মানছে না

মে পর্যন্ত হিসাবে ৮টি বেসরকারি ব্যাংক ও ৫টি বিদেশি ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশের বেশি ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ১৩টি ব্যাংক স্প্রেড সীমা অতিক্রম করেছে। এসব ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে নির্দেশনা দেয়ার পরও তারা তা আমলে নিচ্ছে না।

প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মে শেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ সুদ। এতে স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ০২ শতাংশে।

তবে বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে কম- যা মাত্র ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে সুদ দিয়েছে ৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এ ছাড়া ঋণের ক্ষেত্রে নিয়েছে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ সুদ।

জানা গেছে, বেসরকারি খাতের ৮ ব্যাংকের স্প্রেড ৫ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে। গত মে মাসে বেসরকারি ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে গড়ে ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে।

আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ সুদ। এতে গড় স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ। অপরদিকে বিদেশি ব্যাংকগুলোর স্প্র্রেড এখনও ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

বিদেশি ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ সুদ দিয়েছে। অন্যদিকে ঋণের বিপরীতে আদায় করছে ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ সুদ। এ খাতের ব্যাংকগুলোর স্প্রেড সবচেয়ে বেশি- যা ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঋণের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি সুদ নিচ্ছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক। ঋণের বিপরীতে ব্যাংকটি ১২ দশমিক ৩৮ শতাংশ সুদ আদায় করেছে।

অন্যদিকে, আমানতের বিপরীতে মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এরপরেই রয়েছে বিদেশী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ব্যাংকটির স্প্রেড ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ।

স্প্রেড ৫ শতাংশ অতিক্রম করা অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশি স্টেট ব্যাংক অব ইনà