বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


ইভান বললেন, দুজনের সম্মতিতেই শারীরিক সম্পর্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রাজধানীর বনানীতে বাসায় ডেকে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার আসামি বাহাউদ্দিন ইভান এবং ধর্ষণের শিকার তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বনানী থানায় জিজ্ঞাসাবাদে দুজনই বিভিন্ন বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন।

৪ দিনের রিমান্ডের প্রথম দিন শনিবার দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত দু’জনকে মুখোমুখি জেরা করা হয়। পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়- মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদে ইভান পুলিশকে জানিয়েছে, গত রমজানে ওই তরুণীর সঙ্গে তার বান্ধবী শারমীনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। শারমীন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে। মঙ্গলবারই প্রথম ওই তরুণীর (ধর্ষিত) সঙ্গে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়। স্ত্রী-সন্তানদের অনুপস্থিতিতে তরুণী তার বাসায় আসে। যখন সে বাসায় আসে তখন তার বাবা-মা, ছোট ভাই এবং কাজের লোকেরা ঘুমিয়ে ছিল।

তবে এ বিষয়ে তরুণী জানায়, ১১ মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় ইভানের সঙ্গে। গত ৪ মাসে তাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করেছে ইভান। তরুণীর দাবি, ইভান তাকে জন্মদিনের কথা বলে বাসায় ডেকে এনেছে। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইভান বলেন, “আমি তাকে কোনো জন্মদিনের কথা বলিনি। বাসায় এ ধরনের কোনো আয়োজনও ছিল না। সে আমার কাছে টাকা ধার চেয়েছিল। আমিও টাকা দিতে রাজি ছিলাম। তাই তাকে বাসায় আসতে বলেছি। গভীর রাতে দুজনের সম্মতিতেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছি। সে নিজের ইচ্ছায় তার ড্রেস খুলে আমার টি-শার্ট ও থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পরে।”

তবে ওই তরুণী বলেছেন, “অগের ধর্ষণগুলোর অন্তত দুটি ভিডিও চিত্র ইভানের কাছে আছে। ওই সময় ইভান দাবি করেন, সে ধর্ষণের কোনো ভিডিও করেনি। তবে তার কাছে একটি আপত্তিকর সেলফি আছে। জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিকে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের (তরুণীর কথিত স্বামী) সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তরুণী।

তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো লোকের সঙ্গে তার পরিচয় নেই। তখন পুলিশ তাকে জানায়, “মিজানুর রহমানের সঙ্গে আপনার অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।”

তরুণীর কথিত স্বামী মিজানুর রহমান জানান, ওই তরুণী আমার পরিচিত। দুই মাস আগে এক বন্ধুর মাধ্যমে তার (তরুণী) সঙ্গে পরিচয় হয়। তিনি আসলে বিবাহিত কিনা তা আমি জানি না। একজন ‘সিঙ্গেল মা’ হিসেবে আমি তাকে বিভিন্ন সময়ে সাহায্য-সহযোগিতা করি। তাকে আমি বাসা ভাড়া নিয়ে দিয়েছি। কিন্তু তার স্বা