আবদুস সবুর খান সুমন :
(১ম পর্বের পর)
সমকামীদের যৌন স্বেচ্ছাচারিতা
এইডস এপিডেমিক আবিষ্কৃত হওয়ার পূর্বে ১৯৭৮ সালের এক স্টাডি থেকে জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫% শ্বেতাঙ্গ পুরুষের ১০০+ সমকামী সঙ্গী রয়েছে, ১৫% পুরুষের ১০০-২৪৯ জন, ১৭% পুরুষের ২৫০-৪৯৯ জন, ১৫% পুরুষের ৫০০-৯৯৯ জন এবং ২৮% পুরুষের ১০০০+ জন সমকামী সঙ্গী রয়েছে ।
এইডসের কারণ ও রিস্ক ফ্যাক্টরগুলো জানার পর থেকে এই যৌন স্বেচ্ছাচারিতার হার বেশ পরিমাণে হ্রাস পায় কিন্তু ইদানীং কিছু সাইকিয়াট্রিক ও সাইকোলজিক এ্যাসোসিয়েশনের ভুলপ্রচারের কারণে সেই সচেতনতা আবার হ্রাস পেতে শুরু করেছে । কেননা, এই এ্যাসোসিয়েশনগুলো একদিক থেকে সঠিক হলেও বৃহত্তর দিক থেকে ভুল, সমকামিতা মানসিক বিকৃতি বলে যেই ভুল ধারণাটি প্রচলিত রয়েছে সেটি ভেঙ্গে দেওয়ার জন্যই এই এ্যাসোসিয়েশনগুলো প্রচার করেছে যে সমকামিতা মানসিক বিকৃতি নয় তবে তারা সমকামিতার মেডিক্যাল ক্ষতির কারণগুলো সম্পর্কে কিছুই বলেনি, যেহেতু তারা মেডিসিন বা সেক্স স্পেশালিস্ট নয় ।
এই অসম্পূর্ণ প্রচারের কারণে মানুষের মধ্যে এমন ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে, যেহেতু এটি মানসিক বিকৃতি নয়, সেহেতু এটি করতে দোষের কি ? অর্থাৎ, মেডিক্যাল ক্ষতির কারণগুলো বিশ্লেষণ না করেই সমকামিতা কোন মানসিক বিকৃতি নয় – এমনটি প্রচার করার মাধ্যমে সমকামিতার মত ক্ষতিকর বিষয়কেই প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে এবং এর ফলে ব্যক্তিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রভূত ক্ষতি সাধিত হচ্ছে ।
উল্লেখ্য যে, যে কোন ডিগ্রির প্রমিস্কুইটি বা যৌন স্বেচ্ছাচারিতা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ বা যৌনরোগের প্রধান কারণ । সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশনের হিসেব অনুযায়ী, ৬৫ মিলিয়ন মার্কিনী জনগোষ্ঠী অনারোগ্য যৌনরোগে আক্রান্ত ।
সমকামিতা এবং কপ্রোফিলিয়া (মলমূত্র দেখে বা সংস্পর্শে যৌনতা
কপ্রোফিলিয়া হলো এমন একটি অস্বাভাবিক যৌনাচারণ যেখানে ব্যক্তি মলমূত্র দেখে বা মলমূত্রের সংস্পর্শà