উবায়দুল্লাহ সাআদ: অন্যদিনের মতো সব আছে। নেই শুধু মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা দরদি মানুষটি। যিনি প্রাণ দিয়ে গড়ে তুলেছেন মাদরাসাটি। আজ তার অভাবে খা খা করছে। কুমিল্লা সদরদক্ষিণের জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুমের পরিবেশ এখন এমনই। শুক্রবার বিকেলে তার সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে আলেমগণ কান্নায় ভেঙে পড়লেন। আল্লাহর দরবারে রোনাজারি করে ফিরে চাইলেন দীনের এই মেহনতি মানুষকে। কান্নার ধ্বনিতে যেন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হল পুরো হলরুম।
শুক্রবার জমিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম কুমিল্লা এর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে কেঁদেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও মুরব্বী আল্লামা আশরাফ আলী। প্রিয় মানুষটাকে স্মরণ করে নিশ্চল থাকতে পারেননি অন্যান্য আলেমরাও।
গত বুধবার রাতে মাহফিল শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ মুফতি মুশতাকুন্নবীর সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কুমিল্লার কওমী মাদরাসা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) এর সিনিয়র সহসভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী।
আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, মাওলানা মুশতাকুন্নবী আমার একজন আস্থাভাজন ব্যক্তি দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, তিনি নিরলসভাবে ওয়াজ নসীহত সহ নানামুখী খেদমত আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন। তার নিখোঁজের সংবাদ শুনে আমি মর্মাহত হয়েছি। মুশতাকুন্নবী কার কি এমন ক্ষতি করলেন যারা এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমি কুমিল্লা জেলা কওমী মাদরাসা সংগঠনের পক্ষ থেকে তার আশু সন্ধানের দাবি জানাচ্ছি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি। একজন আলেমে দীন এভাবে নিখোঁজ হবে তা মানা যায় না।
[একই দিনে রোযা পালন সম্পর্কে আরবের আলেমদের ফতোয়া]
গত বুধবার রাত ১২ টার পর মাহফিল শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে তিনি নিখোঁজ হন। এসময় তার সঙ্গে থাকা খাদেম খায়রুল ইসলাম ও প্রাইভেটকারের চালক মাসুদকও নিখোঁজ