মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

২৫ মে বাহাস নিয়ে বিভ্রান্তি ও কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

লুৎফর রহমান ফরায়েজী
পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনষ্টিটিউট এন্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা।

মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। গালিবাজ মাওলানা নামে প্রসিদ্ধ। যিনি অশ্লীল গালি ভরা মজমায় পাগড়ি মাথায়ও অবলীলায় বকে যেতে পারেন। প্রচলিত মিলাদ কিয়ামকে মুস্তাহাব বলে বেড়ালেও এ নিয়ে চরম পর্যায়ের প্রান্তিকতা প্রদর্শন করেন। প্রচলিত মিলাদকে বিদআত সাব্যস্তকারীদের জিব টেনে ছিড়ে ফেলার হুমকিও প্রদান করেন প্রকাশ্য মজলিসে।

তার মত একজন অপরিচিত ব্যক্তির ভয়ে নাকি শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমাদ শফী দামাত বারাকাতুহু এবং আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী দামাত বারাকাতুহু পালিয়ে বেড়ান। উলামায়ে দেওবন্দের কোন আলেম তার সামনে গিয়ে এ বিষয়ে নাকি আলোচনা করার হিম্মতই রাখেন না। ইত্যাদি নানাবিধ বাগাড়ম্বরতা করে আসছিলেন মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।

আমাদের বড়রা তার এ পাগলামীকে বাচ্চাদের শিশুসূলভ আচরণ হিসেবে উপেক্ষা করে আসছিলেন। গুরুত্ব দেইনি আমরা ছোটরাও। নিজের গুরুত্ব বাড়াতে বাজারের ক্যানভাসার কত কথাই বলে। এসব দিকে ভ্রুক্ষেপ করার সময় আমাদের কোথায়?

বিগত জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ঈসাব্দের দিকে হঠাৎ মাহদী হাসান নামে একজন ফোন করেন। পরিচয় দেন তিনি নারায়নগঞ্জ থেকে বলছেন। জানালেনঃ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাহেবের চ্যালেঞ্জবাজীর কথা। তার সাথে প্রচলিত মিলাদ কিয়াম নিয়ে কেউ বাহাস করার সাহসই করছেন না। বিষয়টিকে খুবই হালকা হিসেবে নিয়ে আমি বললামঃ আচ্ছা, তাই নাকি? তাহলে তাকে বলেন, আমাদের সাথে আলোচনায় বসতে।

১ম বৈঠক

আমাদের পক্ষ থেকে একথা বলার পর দীর্ঘদিন যাবত আর কোন খবর ছিল না আব্বাসী সাহেবের প্রতিনিধির। তারপর গত এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে আবার ফোন দিলেন মাহদী হাসান। জানালেন আব্বাসী সাহেব আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি পাঠাতে বলেছেন বাহাসের ডেট ও শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা করার জন্য।

আমি এটাকেও দুর্বল দৃষ্টিতে দেখলাম। বললামঃ ঠিক আছে আমি প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি। তার পক্ষ থেকে লোক পাঠাতে বলেন!

উস্তাজে মুহতারাম আল্লামা আব্দুল মতীন সাহেবের সাথে প্রাথমিক আলোচনা করে প্রাথমিক কিছু বিষয় উল্লেখ করে একটি প্রিন্ট কপি দিয়ে জনাব আব্দুস সবুর খানসহ কয়েকজনকে পাঠালাম আব্বাà¦