মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

হেরা গুহার আদলে নির্মিত মসজিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হেরা গুহা। ইসলামের এক অনন্য নিদর্শন। মুসলিম ইতিহাসের ঐতিহাসিক নিদর্শনাবলীর অন্যতম। এখান থেকে পবিত্র কুরআন নাজিল শুরু হয়েছিল।

মক্কার উত্তর দিকে মসজিদুল হারাম থেকে তিন মাইল দূরে অবস্থিত হেরা পর্বত। ভূমি থেকে ২০০ মিটার উঁচু খাড়া পাথরের পাহাড়। সেই পাহাড়ের একটি গুহা হলো হেরা গুহা। পাহাড়ের ঠিক যে স্থানে গুহাটি অবস্থিত, নিচ থেকে সোজাসুজি সে স্থানে ওঠা যায় না; সে স্থানে উঠতে হয় ভিন্ন দিক থেকে। চূড়া থেকে কিছুটা নিম্নমুখী ৫০ মিটার দূরত্বে এই গুহার অবস্থান। পাহাড়ে ওঠানামা ও গুহায় আরোহণের জন্য কোনো সিঁড়ির ব্যবস্থা নেই।

পাহাড়ের গায়ে চড়েই গুহায় যাতায়াত করতে হয়। গুহার উচ্চতা ৫ থেকে ৬ ফুট, দৈর্ঘ্য ৪ গজ এবং প্রস্থ পৌনে দুই গজ। এর নিচ দিক অগভীর। এতে একসঙ্গে পাঁচজন লোক বসতে পারে। গুহাটি হচ্ছে ত্রিভুজ আকৃতির।

এখানে বসে মহানবী (সা.) আল্লাহর ধ্যান করতেন। এখানে একটি পাথরে লেখা আছে সূরা আলাকের প্রথম আয়াত, ‘ইকরা বিসমি রাব্বি কাল্লাজি খালাক…।’

গুহার দর্শনার্থীরা এখানে এসে নফল নামায পড়েন। নানা বয়সী পর্যটকরা ভিড় জমান ঐতিহাসিক এই স্থানটি দেখার জন্যে। মুসলিম মানসের এমন আবেগকে মাথায় রেখে এবার ইস্তাম্বুলে ঐতিহাসিক হেরা গুহার অনুরূপ ‘সানজাক্লার’ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে।

আরও অবাক করা কথা হলো, হেরা গুহার অনুকরণে নির্মিত মসজিদটি আর্কিটেকচার প্রতিযোগিতায় বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে।

সম্প্রতি তুর্কির প্রাচীন টেলিভিশন চ্যানেল এমনই একটি খবর প্রকাশ করেছে।

টেলিভিশনটি জানায়, ‘সানজাক্লার’ মসজিদটি ইস্তাম্বুলের ‘বুবুক চাকমে জেহ’ অঞ্চলে নির্মাণ করা হয়েছে। অত্যাধুনিক এ মসজিদটি অসাধারণভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে আধুনিক ডিজাইনের মসজিদগুলো থেকে একটু ভিন্ন ধরন ও প্রকৃতি এবং আকর্ষণীয়ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে আলোচিত এই মসজিদটি।

২০১২ সালে ‘আমরে আরওয়েল’ আর্কিটেকচার গ্রুপ মসজিদটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। ৭০০ বর্গ মিটার জমির ওপর মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। এ মসজিদ সম্পর্কে টিআরটি’র রিপোর্টার ‘মিশাদ খোসরাভী’ বলেছেন, আমরা সাধারণত মসজিদে মিনার ও গম্বুজ দেখে অভ্যস্ত। যা ছোট-বড় শহরে বৃহৎভাবে নির্মাণ করা হয়। সেই সঙ্গে মসজিদের ভিতরে বড় ঝাড়বাতি এবং ইসলামিক বিভিন্ন ডিজাইন দ্বারা মসজিদ সুসজ্জিত করা হয়। এবার একটু ব্à