মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফতোয়া দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশ্নকারীর মানসিক অবস্থা বিবেচনার আহ্বান কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন

কওমি স্বীকৃতি; শুধু প্রজ্ঞাপনে আস্থা রাখতে পারছে না ১৪ লাখ শিক্ষার্থী!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শামসীর হারুনুর রশীদ
মুহাদ্দিস ও প্রাবন্ধিক

আল-হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ বোর্ডের পরীক্ষার্থীরাও আপাতত পাচ্ছে না মাস্টার্সের সমমান। পূর্বেকার শিক্ষার্থীদের মতো এবারের পরীক্ষার্থীরাও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার উপর-সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। কেননা দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাসটার্স সমমান ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হলেও সরকারিভাবে আইন পাশ না হওয়ায় কওমি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত!

দাওরায়ে হাদীসের সনদকে মাস্টার্সের মান দিতে কওমি বিশ্ববিদ্যালয় লাগবে অথবা 'আল-হাইয়াতুল উলিয়া বোর্ডকে' সরকারিভাবে আইন প্রনয়ণ করে ইউজিসির ক্ষমতা দিতে হবে। দাওয়ার সনদকে মাস্টার্সের মান উল্লিখিত দুটি প্রক্রিয়ার মধ্য থেকে কোনটির অধীনে দেয়া হচ্ছে এব্যাপারে সরকারি আইন পাশ না হওয়া পর্যন্ত স্বীকৃতির ভবিষ্যত অনিশ্চিত ।

যদি চলতি সংসদ অধিবেশনে এব্যাপারে কোন আইন পাশ না হয়, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণায় কওমি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে স্বপ্নভঙ্গের পথটি নতুন করে খোলা হয়েছে বলে মনে করে 'দিআইটি'। ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থার মানন্নোয়নে কাজ করে 'দি ইসলামিক এডুকেশনাল ডেপলাপমেন্ট ট্রাস্ট' (দিআইটি) ২০১৭ এর প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ।

দিআইটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়ছে- এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা যে ত্রিদ্বারায় বিভক্ত তা স্বাধীনতা পূর্বাপর স্বীকৃতি একটি বিষয়। সুতরাং কওমি শিক্ষাদ্বারার সর্বোচ্চ ক্লাস 'দাওয়ারায়ে হাদীসের' সনদকে 'ইসলামিয়াত ও এরাবিকে' মাস্টার্সের সমমান "আল-হাইয়াতুল উলিয়া বা কওমি বিশ্ববিদ্যালয়ের" অধীনে বাস্তবায়িত করলে কারো আপত্তি করা উচিত নয়। এটা যুক্তিসঙ্গত এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এর নজিরও আছে।

তবে কোন কোন শিক্ষাবিদ না জেনেই প্রশ্ন তুলছেন, নিচের স্তরগুলো বাদ দিয়ে শুধু দাওয়ার সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি দেয়া কিভাবে সম্ভব তাদের বুঝে আসছে না। এমন প্রশ্ন সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার উচ্চপর্যায়ের শিক্ষিতদের কাছ থেকে আসায় আমার খুবই লজ্জা লাগছে তাদের জানার সংকীর্ণ পরিধি দেখে। কারণ ঔপনিবেশিক শাসনামলের পূর্বে ভারত উপমহাদেশে মৌলিক শিক্ষাব্যবস্থা বলতে এটিই ছিল। এ শিক্ষাব্যবসà