মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

যেমন কাটছে রানা প্লাজার রেশমার জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বিস্ময় কন্যা রেশমা। দেশজুড়ে আলোচিত এক নাম। যার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে রানাপ্লাজা ট্র্যাজেডির করুণ কাহিনী। দীর্ঘ ১৭ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবন্ত উদ্ধার হওয়া সালমা বিশ্ব মিডিয়ায় আলোড়ন তুলেন। সেই ট্র্যাজেডির চার বছর পেরিয়েছে। সালমা পেয়েছেন চাকরি। পেতেছেন সংসার। স্বামী রাব্বী ও কন্যা রেবাকে নিয়ে তার সুখের সংসার। মা রেশমা বেগম ও বাবা আতাউর রহমান রাব্বীর নয়নের মণি কন্যা রেদওয়ানা ইসলাম রেবা। সোমবার রেবার বয়স ১ বছর দেড় মাস।  তবে রেশমা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কর্মস্থল রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল ওয়েস্টিনে কাজে ব্যস্ত থাকায় সন্তানকে এসময় মিস করেন তিনি।

রাব্বী বলেন, এখন রেবাই আমার ও রেশমার মধ্যমণি। তাকে ঘিরেই আমাদের স্বপ্ন। মা যখন কাজে যায় তখন বাসার মধ্যবয়সী কাজের মহিলার সঙ্গেই তার দিন কাটে। আমি বাইরে থেকে এলেই আমার কোলে আসতে ছটপট করে। আর রেশমা হোটেল ওয়েস্টিনের কাজে এখন আগের চেয়ে বেশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।

জানা যায়, রেশমা ও রাব্বী এখন গুলশানের একটি ভবনের ষষ্ঠ তলার দু’কক্ষের বাসায় থাকেন। ভাড়া ১১ হাজার টাকা। স্বাচ্ছন্দ্যে দিন কাটছে তাদের। হোটেল ওয়েস্টিনে ভালো অঙ্কের বেতন পাচ্ছেন রেশমা। তিনি সকাল সাড়ে ৬টায় কাজে যোগ দেন। বিকাল সাড়ে তিনটায় ছুটির পর বাসায় ফেরেন। তারপর মেয়ে ও সংসারের কাজে সময় দেন। আর রাব্বী একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানিতে কাজ করেন। তাকে আবার নিয়মিত সময় দিতে হয় না। কর্মকর্তার ডাক পড়লেই ছুটে যেতে হয়। অনেকটা সময় মেয়েকে নিয়ে বাসায় কাটান।
রাব্বী ও রেশমার ভাইবোনরাও মাঝে মাঝে তাদের বাসায় আসেন। দেখে যান। তবে রেশমার মা জোবেদা এসেছিলেন বেশ আগে। রেবার জন্মের পর অনুষ্ঠানে। যোগাযোগ প্রায়ই হয়। রেশমা মাঝে মাঝে মায়ের কাছে টাকাও পাঠান। ছোট ভাই সাদেক ঢাকায় চাকরি করেন। বড় ভাই জাহিদুল ঘোড়াঘাটে ব্যবসা করেন। বড় বোন আসমা ঢাকায় থাকেন। একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বোন ফাতেমাও থাকেন  ঘোড়াঘাটে। তার স্বামী কৃষি শ্রমিক। তারা মাঝে মাঝে রেশমা ও রেবাকে দেখতে গুলশানের বাসায় আসেন বলে জানান রাব্বী। এদিকে রাব্বীও পরিবারের প্রতি খবর রাখেন বলে জানালেন। অপর এক ভাই ও বোন এবং ব্যবসায়ী পিতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখেন।

এদিকে রেশমার মা জোবেদা খাতুন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ভাটা থেকে ইটের টুকরো কিনে এনে তা ভেঙে খোয়া বানিয়ে বিক্রি করতেন। এখন তিনিও কিছুটা সচ্ছল।

ঘোড়াঘাট উপজেলার