আতাউর রহমান খসরু
নতুন নির্বাচন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সার্চ কমিটির নাম প্রস্তাব করেছে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপ্রাপ্ত ২৭ রাজনৈতিক দল। নাম জমা পড়েছে ১২৫টি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রস্তাবিত হয়েছে ৩ আলেমের নাম। তারা হলেন, আল্লামা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা আযহার আলী আনোয়ার শাহ ও ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন। তাদের নাম প্রস্তাব করেছে যথাক্রমে খেলাফত মজলিস, ইসলামি ঐক্যজোট ও খেলাফত আন্দোলন বাংলাদেশ।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আলেমের নাম প্রস্তাব রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে সর্বশ্রেণির মানুষের মনে। ইসলামি ধারার রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ মনে করছে আলেমের নাম প্রস্তাব করায় জনগণেরই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে। আলেমগণ জনগণের অভিভাবক ও আস্থার প্রতীক।
ইসলামি দলগুলোর প্রত্যাশা সার্চ কমিটি অবশ্যই আলেমদের অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পূরণ করবেন জনগণের প্রত্যাশা। সাধারণ ভোটারগণও বলেছে তাদের প্রত্যাশা ও সংশয়ের কথা।
আল্লামা আনোয়ার শাহ সৎ ও সাহসী ব্যক্তি: মুফতি ফয়জুল্লাহ
সার্চ কমিটির কাছে আলেমের নাম প্রস্তাব করেছে ইসলামী ঐক্যজোট। তারা প্রস্তাব করেছে কিশোরগঞ্জ জামিয়া ইমদাদিয়ার পরিচালক ও শহিদি মসজিদের খতিব আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ-এর নাম। তারা কেনো আলেমের নাম প্রস্তাব করলেন তা ব্যাখ্যা করেছেন দলটির মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রতিশ্রুতিশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকল ক্ষেত্রে আলেম তথা দীনি জ্ঞানসম্পন্ন এবং সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত উভয় শ্রেণির সমন্বয় সাধন করা আবশ্যক। নতুবা সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে না।
নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশন একটি স্পর্ষকাতর জায়গা। এখানে সর্বোচ্চা নিরপেক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমাণ দেয়া আবশ্যক। আমরা মনে করি, একজন আলেমই তার দিতে পারেন। যিনি আল্লাহকে ভয় পান এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে যিনি সবকিছুর উপর অগ্রাধিকার দিবেন। এমন আলেম থাকলে ইসি জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা লাভ করবে।
আলেম না থাকলে ইসি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে বলেই আমি মনে করি। অনেক ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থতার পরিচয়ও দিতে পারে।
আপনাদের প্রস্তাবিত ব্যক্তির সে যোগ্যতা ও সামর্থ্য আছে কী? উত্তরে মুফতি ফয়যুল্লাহ বলেন, আমরা তাকে যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যà¦