আওয়ার ইসলাম: নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুন মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। এ মামলায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে যেসব আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনজন হলেন- র্যাবের চাকরিচ্যুত ও অবসরে পাঠানো সেনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লে. কমান্ডার এমএম রানা।
মূলত এ তিনজনই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাত খুনের সঙ্গে জড়িত।
এ তিনজনই সাত খুন নিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এদের মধ্যে আরিফ হোসেন ২০১৪ সালের ৪ জুন ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন।
তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম মহিউদ্দিন।
আরিফ হোসেনের জবানবন্দির চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো:
২০১৪ সালের মার্চে আদমজীনগরে অবস্থিত র্যাব-১১ এর হেডকোয়ার্টারে আমাদের কনফারেন্স ছিল। ওই কনফারেন্সে সিও লে. কর্নেল তারেক সাঈদ কাউন্সিলর নজরুলকে গ্রেফতারের জন্য আমাকে বলেন। একাজে আমাকে সাহায্য করতে লে. কমান্ডার রানাকে নির্দেশ দেন। আমরা নজরুলকে ধরার জন্য তার প্রতিপক্ষ অপর কাউন্সিলর নূর হোসেনকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করি।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে নূর হোসেন আমাকে ফোন করে বলেন, নজরুল আজকে (২৭ এপ্রিল ) নারায়ণগঞ্জ কোর্টে হাজিরা দিতে এসেছে। আমি ওই সংবাদটি সিও তারেক সাঈদকে জানাই। তিনি তখনই নজরুলকে ধরার জন্য আমাকে ও রানাকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। আমি অভিযানের বিষয়ে কমান্ডার রানার সঙ্গে কথা বলি।
এরপর আমার নীল রংয়ের মাইক্রোবাসে টিমসহ কোর্টের উদ্দেশ্যে বের হই। আমার টিমের সদস্যরা- হাবিলদার এমদাদ, এসআই পুর্নেন্দু বালা, নায়েক দেলোয়ার (ড্রাইভার),বেলাল, হীরা, নাজিম, সিপাহী তৈয়ব, সৈনিক আলীম, আলামিন, মহিউদ্দিন,কনস্টেবল শিহাব একত্রে আনুমানিক বেলা ১১টায় কোর্টের বাইরের গেটে উপস্থিত হই।
নজরুলের গতিবিধি নজরদারি করতে আমি হাবিলদার এমদাদ, নায়েক বেলাল, সিপাহী তৈয়বকে কোর্টের ভেতরে পাঠাই। আমরা কোর্টের বাইরে রাস্তার পশ্চিম পাশে অপেক্ষা করছিলাম। বেলা সোয়া ১১টার দিকে একটি সিলভার কালারের মাইক্রোবাসে করে রানার টিমের ৭/৮ জন সদস্য আমাদের সঙ্গে যোগ দেন। ওই সময় তিনি মাইক্রোবাসে ছিলেন না। আনুমা