মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিতে বিধি লঙ্ঘন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

sikkha-boardআওয়ার ইসলাম: চাকরি বিধি ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে গত ৬ বছরে প্রায় এক হাজার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান একেএম ছায়েফ উল্যাহকে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিন বছরে তিন দফায় পদোন্নতি দিয়ে অধ্যাপক করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১৪তম বিসিএসের ইতিহাস বিষয়ে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অর্জনকারী রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান সচিব আনারুল হক যোগত্য থাকার পরও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাচ্ছেন না দশ বছর ধরে। তিনি ২০০১ সালে সহকারী অধ্যাপক এবং ২০০৫ সালে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান। ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনসহ সব বিভাগীয় পরীক্ষায় পাস করে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য যোগ্য হলেও ১০ বছর ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত তিনি।

শুধু আনারুল হক নন, তার মতো আর শতাধিক যোগ্য শিক্ষক পদোন্নতি বঞ্চিত। আবার যাদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে তাদের অনেকে বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করেছেন। কারও আবার চাকরিই স্থায়ী হয়নি। তবুও অধ্যাপক হয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সিন্ডিকেট মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কলকাঠি নাড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে অবৈধভাবে পদোন্নতি হওয়ায় বঞ্চিত হয়েছেন পদোন্নতি-যোগ্য প্রায় দেড় হাজার কর্মকর্তা। আর পদোন্নতিপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের বাড়তি বেতন দিতে সরকারকে গুনতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এই পদোন্নতির সাচিবিক কাজটি করেছে মাউশি। তারা যেভাবে উপস্থাপন করেছেন, সে অনুযায়ীই পদোন্নতির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদি কোনো অনিয়ম বা বেআইনি কাজ হয়, তাহলে খোঁজ-খবর নিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জ্যেষ্ঠ তালিকা, ফিট লিস্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৩ অক্টোবর দুই দফায় ৫৮৭ জন পদোন্নতিপ্রাপ্ত অধ্যাপকের মধ্যে ১৫৪ জন বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় ফেল করেন। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর পদোন্নতিপ্রাপ্ত ৩৬৭ জন অধ্যাপকের মধ্যে ২ শতাধিক ফেল করা ও ১৪৮ জন পদোন্নতির অযোগ্য। শর্ত পূরণ না করায় তাদের চাকরিও স্থায়ী হয়নি।

বিভাগীয় পরীক্ষায় ফেল করা বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার এবং আত্তীকৃত ১৪৮ জন শিক্ষক পদোন্নতà