
ক্ষুধার জ্বালায় সাহায্য চাইছে রোহিঙ্গারা
কক্সবাজার-টেকনাফ আঞ্চলিক মহাসড়কের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং। গতকাল বুধবার সকাল আটটার দিকে দেড় বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে পথচারীদের কাছে সাহায্য চাইছিলেন এক নারী। বলছিলেন, ক্ষুধায় ছেলেটা কাঁদছে। পাশে আছে আরও চার শিশু। জানা গেল, ওই নারীর নাম সেতারা বেগম (২৭)। কোলের ছেলেটির নাম মিজান। বাড়ি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুড়া সিকদারপাড়ায়।
১৭ ডিসেম্বর রাতে তিনি এই পাঁচ শিশুসন্তান নিয়ে কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেন। শিবিরের একটি ঝুপড়িঘরে গাদাগাদি করে রাত কাটাচ্ছেন। ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় ছেলেমেয়েরা ক্ষুধায় কান্নাকাটি করে। বাধ্য হয়ে পথে নেমেছেন।
সেতারার ভাষ্য, ১২ ডিসেম্বর রাতে সেনারা তাঁদের গ্রাম ঘিরে ফেলে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। মগ যুবকেরা বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করেন। এ সময় গুলিতে তাঁর স্বামী মমতাজ মিয়া ও বাবা কাজল আহমদ নিহত হন। কোনোমতে পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি পাশের জঙ্গলে আশ্রয় নেন। এরপর টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে কুতুপালং পৌঁছান। তিনি বলেন, তাঁদের দোকানে অনেকে ভিক্ষা নিতে আসত। বাংলাদেশে পালিয়ে এসে এখন তাঁকে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। (প্রথম আলো)
আশুলিয়ায় বিজিবি মোতায়েন শতাধিক শ্রমিক বরখাস্ত হার্ডলাইনে প্রশাসন
সাভারের আশুলিয়ায় গার্মেন্টস অধ্যুষিত এলাকায় গার্মেন্টসের নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বন্ধ হওয়া ৫৬টি কারখানাসহ পুরো আশুলিয়া ও সাভার এলাকার কারখানার নিরপত্তা ব্যবস্থায় পুলিশ, আর্মড পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি বিজিবিও টহলে নেমেছে। ফলে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া কারখানা ছাড়া নতুন কোন কারখানায় কর্মবিরতির ঘটনা ঘটেনি।
মালিক ও শ্রমিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, গতকাল বেশকিছু শ্রমিক তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে কাজে যোগদান করতে গেলেও কারখানা বন্ধ থাকায় সে সুযোগ মেলেনি। কর্মবিরতিতে ইন্ধনের অভিযোগে ১২১ জন শ্রমিককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। উস্কানি দেয়ার অভিযোগে আশুলিয়া থানায় প্রায় আড়াইশ’ ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি মামলাও দায়ের হয়েছে। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭জনকে আটক করা হয়েছে বলে ইত্তেফাককে জানিয়েছেন ঢাকা জেলার à