
[গত ৮ নভেম্বর দারুল উলুম দেওবন্দ বিশ্ব তাবলিগ মারকাজের আমির মাওলানা সা’দ সম্পর্কে একটি ফতোয়া প্রস্তুত করে। সেখানে তার বয়ানের বিতর্কিত কিছু বিষয় উল্লেখ করে তাকে রুজু করার আহবান করা হয়। সেইমতে তিনি ৩০ নভেম্বর দেওবন্দ বরাবর একটি পত্র পাঠান। কিন্তু এক সপ্তাহ পর্যালোচনার পর তার রুজুনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয় এবং গত ৫ ডিসেম্বর ফতোয়াটি প্রচার করা হয়। এরপর মাওলানা সাদ সাহেব এর নামে একটি রুজুপত্র স্যোশাল মিডিয়া ও ভারতের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ পাচ্ছে। আওয়ার ইসলামেও বিষয়টি নিয়ে প্রচুর ফোনকল ও এসএমএস এসেছে। এর প্রেক্ষিতে মাওলানা সাদের ৩০ নভেম্বর দেয়া মুল পত্রটি আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হলো। এটি অনুবাদ করেছেন মিশরের আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাওলানা মুহাম্মদ লুতফেরাব্বি। এই চিঠির জবাবে দেওবন্দের পত্র ও মাওলানা সালমান নদভীর অভিমত পর্যায়ক্রমে ছাপা হবে ইনশাআল্লাহ। -নির্বাহী সম্পাদক]
হজরত মাওলানা সাদ কান্ধলভী ও তার সাথে সম্পৃক্ত তাবলীগের অন্যান্য সাথীদের ব্যাপারে দারুল উলুম দেওবন্দের বয়ান ও এই সম্পর্কে নিযামুদ্দিন মারকাযের যিম্মাদারদের পক্ষ থেকে জরুরি কয়েকটি কথা...
দারুল উলুমের বর্তমান বয়ানের কারণে দাওয়াত ও তাবলিগের সাথে সম্পৃক্ত লাখো মানুষের মাঝে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে তার সমাধানের জন্য দেশ – বিদেশের সব অঞ্চলের যিম্মাদার ও সাথীদের পক্ষ থেকে নিযামুদ্দিন মারকাযে ধারাবাহিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। আমাদের কাছে তাদের বিশেষ দাবী এইযে, মুসলমানদের বর্তমান সংকটাপন্ন বিশৃঙ্খলার এই যুগে উক্ত বয়ানের ব্যাপারে নিজেদের মতামত প্রকাশ করা। যাতে সকল সাথীদের মন শান্ত হয় এবং দাওয়াতের কাজে কোন ক্ষতি না হয়।
হযরত মাওলানা সাদ সাহেব দাঃবাঃ তো প্রথমে এই কাজের পুরাতন উসুল মুতাবেক এ কথা বলেছেন, স