.
ক'দিন হলো বিশ্বতাবলিগের আমির হজরত মাওলানা মুহাম্মদ সাদ কান্ধলবি সাহেবের ভ্রান্ত মতাদর্শ প্রকাশ করে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে চারপাতার একটি ফতোয়া বেরিয়েছে৷ এ নিয়ে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় অনেক জায়গাতেই ধর্মীয় অঙ্গনে বেশ প্রভাব পড়েছে৷ দারুল উলুম দেওবন্দে অধ্যয়নরত বেশ ক'জন বাঙালিবন্ধু ফতোয়াটি বাংলায় অনুবাদ করে বেশ কয়েকটি বাংলা অনলাইনে ছড়িয়েছেন৷ কেউ কেউ বা ফতোয়াটির ফটোকপিসহ মূল বক্তব্যটি পোস্ট করেছেন নিজ নিজ ফেসবুকপাতায়৷.
উল্লেখ্য, তারা তাদের পোস্টে তাবলিগজামাত আমাদের, এটা রক্ষা করবার দায়িত্বও আমাদের; এসব বলে বলে তাবলিগজামাতের পক্ষ নিয়ে তাবলিগজামাতের স্বচ্ছনির্ভর কাজ করবার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাবলিগকর্মী ভাইদের৷ ফতোয়াটির চারপাতার মাঝে প্রথমপাতাটিতেও ‘অযাহাত' শিরোনামে সে বিষয়টি স্পষ্ট বিদ্যমান৷ কিন্তু হীতে দেখা দিলো বিপরীত!
.
বাংলাদেশের কিছু তাবলিগিভাই বিষয়টিকে ভুল বুঝে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করে বসেছেন৷ অথচ ফতোয়াটিতে তাবলিগজামাতের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কিছুই বলা হয়নি বা হচ্ছে না৷ বরং একজন ব্যক্তিবিশেষের ভ্রান্ত মতাদর্শকে স্পষ্ট করে সাধারণ তাবলিগিভাইদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে মাত্র৷ উপরন্তু সব কথার শেষে চতুর্থপাতায় জোর তাগিদ দিয়ে ঘুরেফিরে সেই তাবলিগজামাতের কাজের প্রতিই উৎসাহিত করা হচ্ছে বারবার৷ সু্ষ্ঠুভাবে দীনের এই শোবার কাজ যেভাবে ভ্রান্তি-ভ্রষ্টতা বৈ আঞ্জাম দেয়া যায়, তারই প্রতি ইঙ্গিতমূলক আলোচনা করা হয়েছে৷
.
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন ফতোয়াটি প্রচার করবার বিষয়ে৷ দেওবন্দিদের গালমন্দ করে পঁচাচ্ছেন অনলাইন-অফলাইনের কান৷ বলছেন, ‘আপনাদের কী দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রচারের জন্য? যদি দারুল উলুম দেওবন্দ এটি প্রচার করতেই চাইতো, তাহলে ফেসবুক/অনলাইন কেনো, তাদের কাছে আরও বড় অনেক মাধ্যম রয়েছে৷ তারা সেসবের আশ্রয় নিতেন৷ সুতরাং আপনারা এসব বন্ধ করুন৷' কেউ বা বলছেন, ‘ভাই! বিযয়টি আলেম-উলামার৷ তাই আলেমদের মাঝেই থাকতে দিন৷ লিখে লিখে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তিতে ফেলবেন না৷' এমনকি বাংলাদেশের একজন বড় নামিদামি দায়ি ফতোয়াটি প্রচারের বিরুদ্ধে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেà¦